টিউশনে যাওয়ার পথে পুরান ঢাকার নারিন্দা এলাকায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) বাংলা বিভাগের এক ছাত্রীকে শারীরিকভাবে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ওমর ফারুক সুমন নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) বিকেলে নারিন্দার স্টার বেকারির সামনে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত উমর ফারুক সুমন (৫০) রাজধানীর একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন। ওই ছাত্রী টিউশনিতে যাওয়ার সময় স্টার বেকারির সামনে সুমন একাধিকবার তাকে উদ্দেশ্য করে বাজে মন্তব্য করে। ওই শিক্ষার্থী এর প্রতিবাদ করায় ইট দিয়ে মারতে উদ্যত হন সুমন। এরপর নানাভাবে শ্লীলতাহানি করেন তিনি। ঘটনাস্থলে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে, ইট ফেলে ওই শিক্ষার্থীর বুকে লাথি দিয়ে পালিয়ে যায় সুমন।
পরবর্তীতে ওয়ারী থানা পুলিশের সহায়তায় সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ও স্থানীয়দের বর্ণনায় অভিযুক্ত সুমনকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করেন ওয়ারী থানা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক খায়রুল ইসলাম।
খায়রুল ইসলাম বলেন, ঘটনা জানার পরপরই তাৎক্ষণিকভাবে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এদিকে এ ঘটনায় আসামির শাস্তি চেয়ে ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমি এই কুলাঙ্গারের শাস্তি চাই। আমার সাথে যা হয়েছে তা কোন স্বাভাবিক ঘটনা না। প্রতিনিয়ত এমন ঘটনা ঘটছে। এঘটনার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানাই।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হেনস্তার ঘটনা জেনেছি। থানায় যোগাযোগ করা হয়েছে। আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে। আইন অনুযায়ী উপযুক্ত শাস্তির আওতায় আনা হবে।’
এবিষয়ে ওয়ারী থানার ডিউটি অফিসার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘ঘটনার পরে এসে মামলা করেছেন ভুক্তভোগীরা। এর আগেই নারিন্দা পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ অভিযুক্তকে থানায় নিয়ে আসে।’







