গাজার পুরোপুরি দখল নিতে স্থল অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে গাজা নগরীর ১০ লাখ বাসিন্দার জীবন ঝুঁকিতে পড়েছে। ইতোমধ্যে গাজা নগরীর পূর্বাঞ্চল থেকে বাসিন্দারা বাড়িঘর ছাড়তে শুরু করেছেন।
গাজার তাল আল-হাওয়ার দক্ষিণাঞ্চল দিয়ে ইসরায়েলি ট্যাংক মূল সীমানায় ঢুকে পড়েছে। তবে সংঘাত অবসানে ইসরায়েলের ওপর নতুন করে আন্তর্জাতিক চাপ বেড়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইসরায়েল গাজায় মানবিক সাহায্যকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে মানুষ হত্যা করছে।
এদিকে গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত থেকে ইসরায়েলি হামলায় ৫৪ জন নিহত এবং ৮শ ৩১ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ত্রাণ সহায়তা নিতে গিয়ে ২২ জন নিহত হন।
সর্বশেষ মধ্য গাজার নেটজারিম করিডোরের কাছে একটি সাহায্য কেন্দ্রে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে দুই ত্রাণকর্মী নিহত হন। তাদের মৃতদেহ চিকিৎসা কেন্দ্রে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে উত্তর গাজার জাবালিয়ার আল-আওদা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় অনাহারে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। যার ফলে গাজায় ইসরায়েলি যুদ্ধের সময় অনাহারে মারা যাওয়া ফিলিস্তিনির সংখ্যা ২৩৯ জনে দাঁড়িয়েছে। এরমধ্যে ১০৬ জন শিশুও রয়েছে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধে কমপক্ষে ৬১ হাজার ৭৭৬ জন নিহত এবং ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯শ৬ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া ইসরায়েলে আনুমানিক ১ হাজার ১৩৯ জন নিহত এবং ২০০ জনেরও বেশি ইসরায়েলি নাগরিককে বন্দী করা হয়েছে।







