ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় একটি নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নতুন শাসন প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করেছে।
এই নতুন শাসন প্রতিষ্ঠা বিষয়ে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট তিন ধাপের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কথা জানিয়েছেন যেখানে ইসরায়েল হামাসের সরকারি ও সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করে হামাসকে পরাজিত করবে।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট বলেন, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড জুড়ে হামলার বিষয়ের সাথে হামাসের গতবিধি এখন থেকে পর্যবেক্ষণ করা হবে।
পার্লামেন্টের পররাষ্ট্র বিষয়ক ও প্রতিরক্ষা কমিটিকে গ্যালান্ট বলেছেন, এরপর হামলা কারা পরিচালনা করছে তা জানতে এক দিন, এক সপ্তাহ বা এক মাস লাগবে না। ইসরায়েলের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো এই অঞ্চলে একটি নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থা তৈরি করা।
ইয়োভ গ্যালান্ট বলেন, সামরিক অভিযান ইসরায়েলের নাগরিকদের জন্য একটি নতুন নিরাপত্তা বাস্তবতা স্থাপন করবে।
ইসরায়েল গাজা থেকে ২০০৫ সালে নিজেকে প্রত্যাহার করে এবং এর পরপরই ২০০৭ সালে হামাস ক্ষমতায় আসার পর সেই ছিটমহলের উপর স্থল, সমুদ্র এবং বিমান অবরোধ আরোপ করে।
হামাস গত সপ্তাহে ইসরায়েলের ওপর আক্রমণ করার পর কমপক্ষে ১ হাজার ৪০০ জন নিহত হয়েছে। ইসরায়েল গাজায় সম্পূর্ণ অবরোধ আরোপ করে প্রতিশোধ নিয়েছে এবং স্থল আক্রমণের জন্য তার সৈন্যদের একত্রিত করা শুরু করেছে।
অবরুদ্ধ ছিটমহলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, গাজায় নিরলস বিমান বোমা হামলায় এ পর্যন্ত ৪ হাজার ১০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।
ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী গত সপ্তাহে উত্তর গাজার এক মিলিয়নেরও বেশি বাসিন্দাকে দক্ষিণে পালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে, ফিলিস্তিনিরা যুক্তি দেখিয়েছে যে সেনাবাহিনী বাসিন্দাদের স্থায়ী গণ বাস্তুচ্যুত চাইছিল।
মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি বলেছেন, তিনি গাজা থেকে উদ্বাস্তুদের কোনও অনুপ্রবেশের অনুমতি দেবেন না।
ফিলিস্তিনিরা গাজার দক্ষিণ রাফাহ ক্রসিংয়ে মিশর কর্তৃক আরোপিত কঠোর সীমান্ত নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হয়েছে।








