হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা মুখপাত্র জন কারবি বলেছেন, চলতি সপ্তাহেই ইরান থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণের হামলা চালানো হবে ইসরায়েলের ভূখণ্ডে। এর জন্য ইসরায়েল এবং তার মিত্রদের প্রস্তুত থাকতে হবে।
ভয়েস অফ আমেরিকা জানিয়েছে, যেকোন হামলা প্রতিরোধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন ইতিমধ্যে গাইডেড মিসাইলবহনকারী সাবমেরিন ইউএসএস জর্জিয়া মধ্যপ্রাচ্যে পাঠিয়েছেন। তিনি বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস এব্রাহাম লিংকনকে সে অঞ্চলে আরও দ্রুত পৌঁছানোর আদেশ দেন। লয়েড অস্টিন বলেছেন, ইসরায়েলকে রক্ষা করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র সব ধরনের পদক্ষেপ নেবে।
পেন্টাগনের প্রেস সেক্রেটারি মেজর জেনেরাল প্যাট রাইডার বলেন, আমরা এর মাধ্যমে একটি বার্তা পাঠাতে চেষ্টা করছি যেটা হচ্ছে, আমরা পরিস্থিতি শান্ত করতে চাই। আমরা ঐ অঞ্চলে নিজেদের নিরাপত্তার জন্য এবং ইসরায়েলের প্রতিরক্ষাকে সমর্থন করার জন্য সক্ষমতা বাড়াচ্ছি।
প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, জার্মানি এবং ইতালির নেতাদের সাথে আলোচনা করেছেন। পরে এক যৌথ বিবৃতিতে তারা গাজায় যুদ্ধ বিরতি এবং জিম্মি মুক্তির প্রচেষ্টার প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানান। নেতারা ইরান এবং ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীর আক্রমণের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষার প্রতি তাদের সমর্থন ব্যক্ত করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা নাম না প্রকাশ করার শর্তে জানিয়েছেন, ইরানি সৈন্য এবং সামরিক সরঞ্জাম আক্রমণ করার জন্য নির্ধারিত জায়গায় মোতায়েন করা হচ্ছে। তারা বলেন, গত এপ্রিল মাসে ইসরায়েলের ওপর সরাসরি ইরানি আক্রমণের আগে সৈন্যদের একই ধরনের আনাগোনা পর্যবেক্ষণ করা হয়েছিল।
এর আগে ইরানের রেভোলিউশনারি গার্ডস বাহিনীর একজন কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি তেহরানে গত ৩১ জুলাই হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়েহকে হত্যার জন্য ইসরায়েলকে “কঠোর শাস্তি” দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।







