বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম ম্যাচে বোস্টন স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছে ফ্রান্স ও মরক্কো। হাইভোল্টেজ এই ম্যাচে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ ছিল ফ্রান্সের সামনে। পেনাল্টি পেয়েছিল দলটি। তবে মরক্কো গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনোর দেয়াল ভেদ করতে পারেননি কাইলিয়ান এমবাপে। তাতে গোলশূন্য সমতাতে বিরতিতে গেছে দুদল।
বোস্টনের জিলেট স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই বল পজিশন ধরে রেখে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ফ্রান্স। চতুর্থ মিনিটেই লিড নিতে পারতেন এমবাপে, তবে তার নিচু শটটি ডানদিকে ঝাঁপিয়ে কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন মরক্কোর গোলকিপার বোনু। সেই কর্নার থেকে ডায়ো উপমেকানোর নেওয়া দুর্দান্ত হেডটিও অবিশ্বাস্যভাবে ঠেকিয়ে দেন তিনি। এরপর ১৮ মিনিটে উসমান দেম্বেলের একটি হেড পোস্টের ওপর দিয়ে চলে যায়।
ম্যাচের ২৫ মিনিটে ডেডলক ভাঙার সুবর্ণ সুযোগ পায় ফরাসীরা। বাম পাশ দিয়ে এমবাপে প্রতি আক্রমণে উঠলে বক্সে তাকে ফাউল করেন মরক্কোর ডিফেন্ডার সালাহ-এডিন। রেফারি সাথে সাথেই পেনাল্টির বাঁশি বাজান। তবে স্পট কিকে পোস্টের ডান দিকের নিচের কোনা দিয়ে নেওয়া এমবাপের শটটি ঝাঁপিয়ে পড়ে আটকে দেন বোনু।
এই পেনাল্টি সেভ করার মাধ্যমে একটি অনন্য কীর্তি গড়লেন ইয়াসিন বোনু। বিশ্বকাপে এটি তার চতুর্থ পেনাল্টি সেভ, যা ১৯৬৬ সালের পর যেকোনো গোলরক্ষকের জন্য সর্বোচ্চ।
৩৫ মিনিটে মাঝমাঠে আইয়ুব বুয়াদ্দির কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে দারুণ এক আক্রমণ চালান ফ্রান্সের ডিজায়ার দুয়ে। কয়েকজনকে কাটিয়ে বক্সে ঢুকে তার নেওয়া জোরালো শটটি আরও একবার প্রতিহত করেন বোনু।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে আরও একবার গোলবঞ্চিত হওয়ার হতাশায় পোড়ে ফ্রান্স। ডিফেন্ডার লুকাস ডিগনের দূরপাল্লার একটি গতিময় শট ক্রসবারে লেগে বাইরে চলে গেলে নিশ্চিত গোল থেকে রক্ষা পায় মরক্কো। ফলে শত চেষ্টা সত্ত্বেও গোলশূন্য থেকেই বিরতিতে যেতে হয় দুই দলকে।







