এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
ইরান মনে করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাদের ‘এক নম্বর শত্রু’ উল্লেখ করে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরানের ইসলামিক সরকার ট্রাম্পকে তাদের পারমাণবিক প্রকল্পের সবচেয়ে বড় হুমকি মনে করছে এবং তাকে হত্যা করার চেষ্টা করেছে।
সোমবার (১৬ জুন) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
নেতানিয়াহু বলেন, “তারা তাকে (ট্রাম্প) হত্যা করতে চায়। তিনি তাদের শত্রু নম্বর ওয়ান।”
তিনি বলেন, ট্রাম্প কখনোই দুর্বল কূটনৈতিক পথে হাঁটেননি। বরং, তিনি ২০১৫ সালের তথাকথিত ‘ভুয়া চুক্তি’ ছিঁড়ে ফেলেন এবং ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ডের জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যা করেন। তখন তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন, তোমরা পারমাণবিক অস্ত্র পাবে না, অর্থাৎ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে পারবে না।
নেতানিয়াহু দাবি করেন, ইরান শুধু ট্রাম্পকেই নয়, তাকেও হত্যার লক্ষ্যে হামলা চালিয়েছে। তিনি বলেন, আমার ঘরের জানালায় ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছিল। এসময় নিজেকে তিনি ট্রাম্পের ‘জুনিয়র পার্টনার’ হিসেবেও উল্লেখ করেন, যারা ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ঠেকাতে যৌথভাবে কাজ করছেন।
নেতানিয়াহু বলেন, ইসরায়েল এক ভয়াবহ ‘দ্বৈত অস্তিত্ব সংকটে’ পড়েছিল। প্রথমত, ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করে পারমাণবিক বোমা বানাতে চলেছে এবং তারা প্রকাশ্যে ইসরায়েলকে ধ্বংসের হুমকি দিচ্ছে।
দ্বিতীয়ত, ইরান তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের গতি এমন পর্যায়ে বাড়িয়েছে, যাতে তিন বছরের মধ্যে ১০ হাজার ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের শহরগুলোর দিকে ছোঁড়া সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, কোনো দেশই এই মাত্রার হুমকি সহ্য করতে পারে না, বিশেষ করে ইসরায়েলের মতো ছোট দেশ। আর তাই আমাদের এখনই পদক্ষেপ নিতে হয়েছে।








