মোহালিতে লিভিংস্টোনের ঝড়ো ইনিংসে দুইশতাধিক রানের সংগ্রহ পেয়েছিল পাঞ্জাব কিংস। সেটি নিয়েও মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে আটকাতে ব্যর্থ হয়েছেন পাঞ্জাব বোলাররা। কিষাণ ও সূর্যকুমারের জোড়া ফিফটিতে ৬ উইকেট ও ৭ বল হাতে রেখে কিংসদের হারিয়েছে মুম্বাই।
ঘরের মাঠে টস হেরে আগে ব্যাটে নেমে ৩ উইকেটে ২১৪ রানের সংগ্রহ পায় পাঞ্জাব। জবাবে ব্যাটে নেমে ৬ উইকেটে জয় পায় মুম্বাই। এ নিয়ে ৯ ম্যাচে ৫ জয়ে টেবিলের ছয়ে মুম্বাই। এক ম্যাচ বেশি খেলে সমান পয়েন্ট নিয়ে সাতে পাঞ্জাব।
আগে ব্যাটে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি স্বাগতিকদের। দলীয় ১৩ রানে ফেরেন সিমরন সিং। ৭ বলে ৯ রান করে। ৭.২ ওভারে ৬২ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় পাঞ্জাব। ২০ বলে ৩০ রানে আউট হন অধিনায়ক শেখর ধাওয়ান। ১১.২ ওভারে দলীয় ৯৫ রানে ফেরেন ম্যাথিউ শর্ট। ২৬ বলে ২৭ রান করে।
লিয়াম লিভিংস্টোন ও জিতেশ শর্মা শেষ করেন ইনিংস। নির্ধারিত ওভার শেষে পাঞ্জাবের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ২১৪ রান। ৪২ বলে ৮২ রান করেন লিভিংস্টোন। ২৭ বলে ৪৯ রানে অপরাজিত ছিলেন জিতেশ।
মুম্বাইয়ের হয়ে দুটি উইকেট নিয়েছেন পিয়ুষ চাওলা, আরশাদ খান নিয়েছেন একটি।
জবাবে ব্যাটে নেমে ইনিংসের তৃতীয় বলে শূন্য রানেই অধিনায়ক রোহিত শর্মার উইকেট হারায় মুম্বাই। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ৫৪ রান সংগ্রহ করেন ক্যামেরুন গ্রিন ও ঈশান কিষাণ। ৫.৬ ওভারে ১৮ বলে ২৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন গ্রিন। পরে সূর্যকুমার যাদবকে নিয়ে ১১৬ রানের জুটি গড়েন কিষাণ। ১৫.১ ওভারে ১৭০ রানে আউট হন সূর্যকুমার। ৩১ বলে ৬৬ রান করে যান।
এক ওভার পর ১৭৮ রানে ফেরেন কিষাণ। ৪১ বলে ৭৫ রান করে। পরে টিম ডেভিড ও তিলক ভার্মার ঝড়ো ক্যামিওতে ৭ বল ও ৬ উইকেটে হাতে রেখে জয় নিশ্চিত হয় সফরকারী দলের। ১০ বলে ২৬ রানে অপরাজিত ছিলেন তিলক, ১০ বলে ১৯ রানে ডেভিড।
স্বাগতিকদের দুটি উইকেট নিয়েছেন নাথান এলিস। ঋষি ধাওয়ান ও আর্শদ্বীপ নেন একটি করে উইকেট।







