ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ার পর ব্যাট হাতে করলেন পাল্টা আক্রমণ। মোক্ষম সময়ে সাঞ্জু স্যামসনকে নিয়ে গড়লেন গুরুত্বপূর্ণ জুটি। একপ্রান্ত আগলে রেখে শিমরন হেটমায়ার ব্যাট হাতে তুললেন ঝড়। আর তাতেই গুজরাট টাইটান্সের বিপক্ষে ৩ উইকেটের জয়ে আইপিএলের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান অক্ষুণ্ণ রাখল রাজস্থান রয়্যালস।
পাঁচ ম্যাচের চারটিতে জিতে রাজস্থানের পয়েন্ট ৮। সমান ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে তিনে গুজরাট। রানরেটে এগিয়ে থাকায় ৬ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে আছে লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস।
রোববার আহমেদাবাদে হওয়া ম্যাচে টসে হেরে আগে ব্যাট করা গুজরাট ৭ উইকেটে ১৭৭ রান তোলে। জবাবে রাজস্থান ৪ বল বাকি রেখে ও ৭ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায়।
প্রথম ওভারেই গুজরাটের ওপেনার ঋদ্ধিমান সাহা ৪ রান করে ট্রেন্ট বোল্টের বলে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। ব্যক্তিগত ২০ রান করে রান আউটে কাটা পড়েন সাই সুদর্শন।
শুভমান গিল ও হার্দিক পান্ডিয়া তৃতীয় উইকেটে ৫৯ রানের জুটি গড়েন। অধিনায়ক পান্ডিয়া ২৮ রান করে যুজবেন্দ্র চাহালের শিকার হলে এ জুটি ভাঙে। গিল ৪টি চার ও এক ছক্কায় ৩৪ বলে ৪৫ রান করে সাজঘরে ফেরেন।
এরপর ডেভিড মিলারের ৩০ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৪৬ এবং অভিনব মনোহর ১৩ বলে ৩ ছক্কায় ২৭ রানের আগ্রাসী ইনিংসে ভর করে চ্যালেঞ্জিং স্কোর পায় গুজরাট।
রাজস্থানের পক্ষে সন্দীপ শর্মা নেন ২ উইকেট। একটি করে উইকেট পান। বোল্ট, অ্যাডাম জাম্পা ও চাহাল।
দলীয় ৪ রানেই দুই ওপেনার যশস্বী জয়সওয়াল এবং জস বাটলারের উইকেট হারিয়ে রাজস্থান চাপে পড়ে। ব্যক্তিগত ২৬ রান করা দেবদত্ত পাডিকল ড্রেসিংরুমে ফেরেন। রশিদ খানের বলে মিলারের তালুবন্দি হয়ে রিয়ান পরাগ ক্রিজ ছাড়লে ৫৫ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে দলটি ব্যাটিং বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়।
পঞ্চম উইকেট জুটিতে ঘুরে যায় ম্যাচের মোড়। অধিনায়ক সাঞ্জু স্যামসন ও শিমরন হেটমায়ার বাইশ গজে তোলেন ঝড়। দ্রুতই এ দুই ব্যাটার ৫৯ রান যোগ করেন।
মিলারের হাতে ধরা পড়ে থামেন ৩২ বলে ৩ চার ও ৬ ছক্কায় ৬০ রান করা সাঞ্জু। ধ্রুব জুরেল ১৮ ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন ১০ রান করে ক্রিজ ছাড়লেও হেটমায়ার ব্যাট হাতে চালাতে থাকেন তাণ্ডব। ক্যারিবীয় ব্যাটার ২৬ বলে ২ চার ও ৫ ছক্কায় ৫৬ রানে অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করেই মাঠ ছাড়েন।
গুজরাটের পক্ষে ২৫ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট পান মোহাম্মাদ শামি। দুই উইকেট পেলেও ৪৬ রান দেন রশিদ। হার্দিক ও নূর আহমেদ নেন একটি করে উইকেট।
ঞ্জু-হেটমায়ারের তাণ্ডবে শীর্ষেই রইল রাজস্থান
ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ার পর ব্যাট হাতে করলেন পাল্টা আক্রমণ। মোক্ষম সময়ে সাঞ্জু স্যামসনকে নিয়ে গড়লেন গুরুত্বপূর্ণ জুটি। একপ্রান্ত আগলে রেখে শিমরন হেটমায়ার ব্যাট হাতে তুললেন ঝড়। আর তাতেই গুজরাট টাইটান্সের বিপক্ষে ৩ উইকেটের জয়ে আইপিএলের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান অক্ষুণ্ণ রাখল রাজস্থান রয়্যালস।
পাঁচ ম্যাচের চারটিতে জিতে রাজস্থানের পয়েন্ট ৮। সমান ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে তিনে গুজরাট। রানরেটে এগিয়ে থাকায় ৬ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে আছে লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস।
রোববার আহমেদাবাদে হওয়া ম্যাচে টসে হেরে আগে ব্যাট করা গুজরাট ৭ উইকেটে ১৭৭ রান তোলে। জবাবে রাজস্থান ৪ বল বাকি রেখে ও ৭ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায়।
প্রথম ওভারেই গুজরাটের ওপেনার ঋদ্ধিমান সাহা ৪ রান করে ট্রেন্ট বোল্টের বলে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। ব্যক্তিগত ২০ রান করে রান আউটে কাটা পড়েন সাই সুদর্শন।
শুভমান গিল ও হার্দিক পান্ডিয়া তৃতীয় উইকেটে ৫৯ রানের জুটি গড়েন। অধিনায়ক পান্ডিয়া ২৮ রান করে যুজবেন্দ্র চাহালের শিকার হলে এ জুটি ভাঙে। গিল ৪টি চার ও এক ছক্কায় ৩৪ বলে ৪৫ রান করে সাজঘরে ফেরেন।
এরপর ডেভিড মিলারের ৩০ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৪৬ এবং অভিনব মনোহর ১৩ বলে ৩ ছক্কায় ২৭ রানের আগ্রাসী ইনিংসে ভর করে চ্যালেঞ্জিং স্কোর পায় গুজরাট।
রাজস্থানের পক্ষে সন্দীপ শর্মা নেন ২ উইকেট। একটি করে উইকেট পান। বোল্ট, অ্যাডাম জাম্পা ও চাহাল।
দলীয় ৪ রানেই দুই ওপেনার যশস্বী জয়সওয়াল এবং জস বাটলারের উইকেট হারিয়ে রাজস্থান চাপে পড়ে। ব্যক্তিগত ২৬ রান করা দেবদত্ত পাডিকল ড্রেসিংরুমে ফেরেন। রশিদ খানের বলে মিলারের তালুবন্দি হয়ে রিয়ান পরাগ ক্রিজ ছাড়লে ৫৫ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে দলটি ব্যাটিং বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়।
পঞ্চম উইকেট জুটিতে ঘুরে যায় ম্যাচের মোড়। অধিনায়ক সাঞ্জু স্যামসন ও শিমরন হেটমায়ার বাইশ গজে তোলেন ঝড়। দ্রুতই এ দুই ব্যাটার ৫৯ রান যোগ করেন।
মিলারের হাতে ধরা পড়ে থামেন ৩২ বলে ৩ চার ও ৬ ছক্কায় ৬০ রান করা সাঞ্জু। ধ্রুব জুরেল ১৮ ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন ১০ রান করে ক্রিজ ছাড়লেও হেটমায়ার ব্যাট হাতে চালাতে থাকেন তাণ্ডব। ক্যারিবীয় ব্যাটার ২৬ বলে ২ চার ও ৫ ছক্কায় ৫৬ রানে অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করেই মাঠ ছাড়েন।
গুজরাটের পক্ষে ২৫ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট পান মোহাম্মাদ শামি। দুই উইকেট পেলেও ৪৬ রান দেন রশিদ। হার্দিক ও নূর আহমেদ নেন একটি করে উইকেট।







