লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসের বিপক্ষে আহমেদাবাদে ব্যাট হাতে ঝড় তুলেছিলেন গুজরাট ওপেনার শুভমন গিল ও ঋদ্ধিমান সাহা। দুই ব্যাটারই করেছেন ফিফটির বেশি রান। নব্বইয়ের ঘর স্পর্শ করে গিল শতক থেকে ছিলেন মাত্র ৬ রান দূরে, ছিলেন অপরাজিত। কাছাকাছি রান করেছিলেন ঋদ্ধিমানও। পরে বল হাতে চমক দেখিয়েছেন মুহিত শর্মা। বিধ্বস্ত করেছেন লক্ষ্ণৌ ব্যাটিং লাইনআপ। ৪ উইকেট নিয়ে গুজরাটকে জিতিয়েছেন ৫৬ রানে।
টস জিতে গুজরাটকে ব্যাটে পাঠায় লক্ষ্ণৌ। দুই ওপেনারের অনবদ্য জুটিতে ভর করে নির্ধারিত ওভার শেষে দুই উইকেটে ২২৭ রান সংগ্রহ করে গুজরাট। জবাবে ব্যাটে নেমে ৭ উইকেটে ১৭১ রানে থামে সুপার জায়ান্টসদের ইনিংস। ১১ ম্যাচে ৮ জয়ে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে নিজেদের অবস্থান মজবুত করলো গুজরাট। ১১ ম্যাচে ১১ পয়েন্ট নিয়ে তিনে থাকল লক্ষ্ণৌ।
আগে ব্যাটে নেমে শুভমন গিল ও ঋদ্ধিমান সাহার নৈপুণ্যে উড়ন্ত শুরু পায় লক্ষ্ণৌ। প্রথম উইকেট জুটিতে আসে ১৪২ রান। ১২.১ ওভারে ৪৩ বলে ৮১ রান করে আভেশ খানের শিকার হন ঋদ্ধিমান। ১৬তম ওভারের শেষ বলে দলীয় ১৮৪ রানে ফেরেন হার্দিক পান্ডিয়া। ১৫ বলে ২৫ রান করেন গুজরাট অধিনায়ক।
এরপর ডেভিড মিলারকে সঙ্গে নিয়ে দলের সংগ্রহ ২ উইকেটে ২২৭ রানে পৌঁছান শুভমন গিল। ৫১ বলে ৯৪ রান করে অপরাজিত ছিলেন গিল, মিলার ১২ বলে ২১ রানে।
লক্ষ্ণৌর হয়ে একটি করে উইকেট নেন আভেশ খান ও মহসিন খান।
জবাবে ব্যাটে নেমে লক্ষ্ণৌর শুরুটাও হয় দুর্দান্ত। প্রথম উইকেট জুটিতে আসে ৮৮ রান। ৮.২ ওভারে ৩২ বলে ৪৮ রান করে মোহিত শর্মার শিকার হন কাইল মেয়ার্স। ১২.২ ওভারে দলীয় ১১৪ রানে ফেরেন দীপক হুদা। ১১ বলে ১১ রান করে। দলীয় ১৩০ রানে ফেরেন মার্কাস স্টয়নিস। ব্যাট হাতে করেছেন ৯ বলে মাত্র ৪ রান।
১৬তম ওভারের শেষ বলে ১৪০ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় লক্ষ্ণৌ। ৪১ বলে ৭০ করে রশিদ খানের শিকার হন একপ্রান্ত আগলে রাখা কুইন্টন ডি কক। এরপর গুজরাট বোলারদের সামনে দাঁড়াতে পারেননি অন্যরা। একমাত আয়ূষ বাদোনি ছাড়া কেউ স্পর্শ করতে পারেননি দুই অঙ্কের ঘর। ১১ বলে ২১ করেন আয়ূষ। শেষ অবধি ৭ উইকেটে ১৭১ রানে থামে ইনিংস।
গুজরাটের হয়ে চার উইকেট নিয়েছেন মুহিত শর্মা। একটি করে নিয়েছেন মোহাম্মদ শামি, রশিদ খান ও নুর আহমেদ।







