সদ্যগত ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) ব্যাটারদের পাশাপাশি বোলারও আলো কেড়েছেন পাল্লা দিয়ে। রান আটকানো আর উইকেট তোলার কৌশলে আসরের সেরা দশে জায়গা করে নিয়েছেন ছয় পেসার।
আসর সেরার শীর্ষে স্পিন-পেস ভারসাম্যে পেসাররা জিতলেও দশে দেশি-বিদেশি বণ্টন সমান পাঁচে-পাঁচ। এক নজরে দেখে নেয়া যাক বোলিংয়ে টেবিল টপার কারা।
রানার্সআপ রাজস্থান রয়্যালসের লেগ স্পিনার যুজবেন্দ্র চাহাল ১৭ ম্যাচে ১৯.৫১ গড়ে ৭.৭৫ ইকোনমিতে ২৭ উইকেট নিয়ে হয়েছেন সর্বাধিক উইকেট শিকারি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেটও এক লেগ স্পিনারের, শ্রীলঙ্কার ভানিডু হাসারাঙ্গা রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে ১৬ ম্যাচে ১৬.৫৩ গড়ে ৭.৫৪ ইকোনমিতে নিয়েছেন ২৬ উইকেট।
পেসারদের মধ্যে প্রথমজন আছেন তালিকার তিনে, প্রোটিয়া কাগিসো রাবাদা পাঞ্জাব কিংস জার্সিতে ১৩ ম্যাচে ১৭.৬৫ গড়ে ৮.৪৫ ইকোনমিতে ২৩ উইকেট নিয়েছেন।
গতিঝড় তুলে আলোচনায় আসা ২২ বর্ষী সেনসেশন জম্মু-কাশ্মীরের ডানহাতি পেসার উমরান মালিক ১৪ ম্যাচ খেলেছেন, ২০.১৮ গড়ে ৯.০৩ ইকোনমিতে নিয়েছেন ২২ উইকেট, আছেন টেবিলের চারে। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে ঘণ্টায় ১৫৬.৯ কিমি. গতিতে তার ছোঁড়া বল আইপিএল ইতিহাসেরই সর্বোচ্চ গতির রেকর্ড গড়েছিল। ফাইনালে গুজরাটের কিউই পেসার লোকি ফার্গুসন ১৫৭.৩ কিমি. গতি তুলে যা ছাড়িয়ে যান।
পাঁচে আছেন দিল্লির কুলদীপ যাদব। ১৪ ম্যাচে ১৯.৯৫ গড়ে ৮.৪৩ ইকোনমিতে এই স্পিনার নিয়েছেন ২১ উইকেট। বেঙ্গালুরুর হয়ে পেসার জশ হ্যাজেলউড ১২ ম্যাচে ১৮.৮৫ গড়ে ৮.১০ ইকোনমিতে নিয়েছেন ২০ উইকেট আছেন ছয় নম্বরে।
হ্যাজেলউডের সমান ২০ উইকেট পেলেও ম্যাচ বেশি খেলে সাতে ভারতের পেসার মোহাম্মদ শামি। চ্যাম্পিয়ন গুজরাট টাইটান্সের হয়ে ১৬ ম্যাচে ২৪.৪০ গড়ে ৮ ইকোনমিতে তিনি ২০ উইকেট ঝুলিতে পুরেছেন।
বেঙ্গালুরুর হয়ে হার্শাল প্যাটেল ১৫ ম্যাচে ২১.৫৭ গড়ে ৭.৬৬ ইকোনমিতে ১৯ উইকেট নিয়ে আছেন তালিকার আটে। হার্শালের চেয়ে এক ম্যাচ বেশি খেলা আফগান লেগ স্পিনার রশিদ খানের উইকেটও ১৯, ২২.১৫ গড়ে ৫.৫৯ ইকোনমিতে বোলিং করে তিনি নয় নম্বরে।
রাজস্থানের ডানহাতি পেসার প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ ১৭ ম্যাচে ২৯ গড়ে ৮.২৮ ইকোনমিতে ১৯ উইকেট তুলে টেবিলের দশে থেকে আসর শেষ করেছেন।







