গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালের সামনের একটি দোকানে জাল টাকা দিয়ে মোবাইলে রিচার্জ করার সময় হাবিবুর রহমান ও তার এক সহযোগীকে ২ লাখ ৩৮ হাজার জাল টাকাসহ গ্রেপ্তার করেছে গোপালগঞ্জ সদর থানা পুলিশ। হাবিবুর ঢাকা ডাচ বাংলা ব্যাংকের ১১ কোটি টাকা ডাকাতি মামলার ১ নাম্বার এজাহারভুক্ত আসামি।
হাবিবুর রহমান গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার হরিদাসপুর ইউনিয়ন হরিদাসপুর গ্রামের হিরু শেখের ছেলে ও তার সহযোগী রিপন শেখ ওরফে বাটু শেখ একই ইউনিয়নের ফকির কান্দি গ্রামের নওশের আলী শেখের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও দোকানদার সূত্রে জানা যায়, জাল টাকা চোরাকারবারি চক্রের প্রধান হাবিবুর রহমান ও বাটু শেখ শুক্রবার রাতে একটি প্রাইভেট কার নিয়ে সদর হাসপাতালের সামনে দাঁড়িয়ে জাল টাকা দিয়ে বার্টু শেখকে মালামাল কিনতে এবং মোবাইল ফোনে টাকা রিচার্জ করতে পাঠায়। দোকানদার জাল টাকা টের পেয়ে মালামাল না দিয়ে আশেপাশের লোকজনকে ডেকে বাটুকে আটকায়। পরিস্থিতি খারাপ বুঝে প্রাইভেট গাড়ি নিয়ে পালানোর সময় সরকারি বঙ্গবন্ধু কলেজের সামনে জনসাধারণের হাতে গাড়ির চালক নুরু ধরা পড়ে।
খবর পেয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে প্রাইভেট কার তল্লাশি করে ২লাখ ৩৮ হাজার জাল টাকা উদ্ধার করে। পরে গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মীর মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান সঙ্গীও ফোর্স নিয়ে শহরের লঞ্চ ঘাট ও সদর হাসপাতালের সামনে থেকে ২০২৩ সালে ডিএমপির তুরাগ থানা এলাকার ডাচ বাংলা ব্যাংকের ১১ কোটি টাকা ডাকাতি মামলার আসামি হাবিবুর রহমানকে আটক করে।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মীর মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান জানান, শহরের লঞ্চঘাট ও গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালের সামনে থেকে ২লাখ ৩৮ হাজার জাল টাকাসহ পুলিশের কাছে আটক হাবিবুর রহমান ও রিপন শেখ ওরফে বাটু শেখের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছে।








