কারাবন্দী পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে ঘিরে আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশটিতে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও প্রশাসনের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
মঙ্গলবার ২৫ নভেম্বর প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এনডিটিভি জানিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় তার মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়া এবং বোনদের ওপর পুলিশের হামলার অভিযোগে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে।
মূলত, সরকারি নিষেধাজ্ঞার কারণে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে ইমরান খানের সঙ্গে তার পরিবারের কাউকে দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। এই অবস্থার মধ্যেই তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ায় সমর্থক ও পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ে।
ইমরান খানের তিন বোন নওরীন খান, আলিমা খান ও উযমা খান। পিটিআই সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে সম্প্রতি রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা জেলের বাইরে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান নেন। তাদের দাবি, ভাইয়ের স্বাস্থ্য সম্পর্কে জানার জন্য সাক্ষাতের অনুমতি চেয়েছিলেন।
তবে কোনো সতর্কতা ছাড়াই পুলিশের হামলার অভিযোগ তুলে নওরীন জানান, আমরা কোনো বেআইনি কর্মকাণ্ড করিনি। হঠাৎ রাস্তার আলো নিভিয়ে দেওয়া হয় এবং এরপরই পুলিশ আমাদের ওপর হামলা চালায়। আমাকে চুল ধরে টেনে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়। উপস্থিত অন্যান্য নারীকেও মারধর করা হয়েছে।
ইমরান খানের পরিবার ও রাজনৈতিক দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) অভিযোগ করলেও পাকিস্তান সরকার এখনও স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি। এমনকি তার আইনজীবীদের প্রবেশও বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে। এখানে যেন জঙ্গলের আইন চলছে। শুধু ক্ষমতাবানদের অধিকার আছে, বাকিদের নয়।
খানকে দেখতে খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি সাতবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন। তার অভিযোগ, জেল কর্তৃপক্ষ সেনাবাহিনীর একজন কর্মকর্তার নির্দেশে চলছে।








