মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রভাব ধীরে ধীরে ইউরোপের জ্বালানি বাজারেও পড়তে শুরু করেছে। এরই অংশ হিসেবে পর্তুগালের বিভিন্ন শহরে জ্বালানি পাম্পগুলোতে গাড়ির দীর্ঘ লাইন এবং ডিজেলের সাময়িক ঘাটতির খবর পাওয়া যাচ্ছে।
রাজধানী লিসবনসহ দেশের কয়েকটি অঞ্চলে ইতিমধ্যে পেট্রোল পাম্পে ডিজেল সরবরাহ কমে গেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এতে করে অনেক চালক আগেভাগেই জ্বালানি সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। ফলে কিছু পাম্পে দেখা যাচ্ছে দীর্ঘ যানবাহনের সারি।
মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ও পরিবহন ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করতে পারে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয় এবং সেই প্রভাব দ্রুতই ইউরোপীয় দেশগুলোতে অনুভূত হয়।
জ্বালানি খাতের বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে পর্তুগালসহ ইউরোপের অনেক দেশেই জ্বালানির দাম বাড়তে পারে। এছাড়া সরবরাহ ব্যবস্থায় সাময়িক চাপও তৈরি হতে পারে।
এদিকে স্থানীয় প্রশাসন ও জ্বালানি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো জানিয়েছে, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং জনগণকে অযথা আতঙ্কিত না হয়ে স্বাভাবিকভাবে জ্বালানি ব্যবহার করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
পর্তুগালে দীর্ঘদিন বসবাস করা প্রবাসী বাংলাদেশী মুহাম্মদ আশরাফ উল আলম বলেন আমরা যারা লিসবনে অ্যাপভিত্তিক রাইড শেয়ারিং (টিভিডি)করি একটি ব্যাপার লক্ষ্য করেছি অনেক পাম্পে দীর্ঘ লাইন আর কিছু কিছু জায়গায় (পরিষেবা উপলব্ধ নয়) লেখা লক্ষ্য করেছি আগে যেখানে একসাথে চার থেকে পাঁচটি গাড়ি তৈল নিতে পারত এখন তা ঘুমিয়ে একটি বা দুটি রাখা ব্যবস্থা করা হয়েছে।
জ্বালানি খাতের বিশ্লেষকদের মতে যদি মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হয়, তবে এর প্রভাব বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে আরও তীব্র হতে পারে এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশে জ্বালানির দাম ও সরবরাহ উভয় ক্ষেত্রেই নতুন চাপ তৈরি হতে পারে।








