বাড়িতে থেকেও সেরে উঠতে পারেন ডেঙ্গু রোগী। তবে জ্বর সেরে গেলেই যে আপনি সুস্থ, এমনটা ভাবার কারণ নেই। চিকিৎসকদের মতে, জ্বর কমলেও সঙ্কটজনক অবস্থার লক্ষণগুলো প্রথমেই বোঝেন না অনেকেই, আর তাতেই বাড়ছে বিপদ।
আনন্দবাজার জানিয়েছে, যাদের এক বার ডেঙ্গু হয়ে গিয়েছে, তাদের দ্বিতীয় বার বা তৃতীয় বার ডেঙ্গু হলে তা হেমারেজিক অবস্থায় পৌঁছে যেতে পারে। ‘হেমারেজিক’ অর্থ রক্তপাত। এই অবস্থায় রোগীর শরীরের বিভিন্ন ধমনী এবং শিরা ফেটে গিয়ে রক্ত এবং প্লাজমা বেরিয়ে যেতে শুরু করে। বাইরে থেকে রক্ত দিলেও অনবরত রক্তক্ষরণে রোগীর অবস্থা ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠে। কখন কোন রোগীর ডেঙ্গু মারাত্মক রূপ নেবে, তা আগে থেকে বোঝা মুশকিল।
ডেঙ্গুর যেসব লক্ষণ দেখলেই হাসপাতালে যেতে হবে,
১) পেটে ব্যথা।
২) মল বা প্রস্রাবের সঙ্গে রক্তপাত। ডেঙ্গির সংক্রমণ হলে রক্তে অনুচক্রিকা বা প্লাটিলেট কাউন্ট কমে যেতে শুরু করে। আর এই কারণে শরীরের বিভিন্ন অংশে হেমারেজ অর্থাৎ, রক্তক্ষরণ হয়। মাড়ি এবং নাক থেকেও হতে পারে রক্তপাত।
৩) সারা দিনে যে পরিমাণ প্রস্রাব হত, তার পরিমাণ কমে যাওয়া।
৪) শ্বাসকষ্ট।
৫) ত্বকে লাল লাল র্যাশ।
৬) ডেঙ্গু শক সিনড্রোম থেকে মানবদেহে জলশূন্যতা তৈরি হয়। সঙ্গে সঙ্গে পাল্স রেট অনেকটা বেড়ে যায় এবং রক্তচাপ খুব কমে যায়। শরীর ঠান্ডা হয়ে যায়। শ্বাসপ্রশ্বাস খুব দ্রুত চলে। রোগী অস্থির হয়ে ওঠেন।
এই ধরণের কোন লক্ষণ দেখা দিলে সময় নষ্ট না করে রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করানো উচিত।







