চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

দেশের আইনশৃঙ্খলার উন্নয়ন না হলে অর্থনীতি স্থবির হয়ে যাবে: গোলাম মোস্তফা

রাজু আলীমরাজু আলীম
৩:২৭ অপরাহ্ণ ২৫, ফেব্রুয়ারি ২০২৫
বাংলাদেশ
A A

দেশবন্ধু গ্রুপের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন না হলে দেশের ব্যাবসা বাণিজ্য অর্থনীতির চাকা স্থবির হয়ে যাবে।

চ্যানেল আইকে দেয়া সাক্ষাৎকারে গোলাম মোস্তফাকে দেশের ভবিষ্যৎ কী, এমন প্রশ্নে আপনি কী বলবেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতি কী দেখছেন? তিনি বলেন, আমি মনে করি দেশের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল যে দেশের মানুষ সশস্ত্র সংগ্রাম করে একটা অকুপাইড আর্মির বিপক্ষে যুদ্ধ করে, দেশ স্বাধীন করেছে নয় মাসে সে দেশ কেউ দাবায় রাখতে পারবে না। আমার দেশের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল।

বর্তমান বাংলাদেশকে আপনি কিভাবে মূল্যায়ন করবেন? রাজনৈতিক, ব্যবসা-বাণিজ্য নীতি পরিপ্রেক্ষিতে জানতে চাই। বিশেষত ব্যবসায়িক। বর্তমানে ব্যবসা-বাণিজ্য, কলকারখানা চালাতে কোন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে কিনা? নাকি অবস্থা খুবই স্বাভাবিক রয়েছে?

তিনি বলেন, আমি রাজনীতির কথা বলতে চাচ্ছি না। আমি অর্থনৈতিক এবং ব্যবসায়িক কথা বলতে পারি। বছর বাংলাদেশে গণতন্ত্র এসেছিল প্রায় ৩০ বছর থেকে বা তারও আগে। যদি ধরেন ১৯৮৪ সালে জেনারেল সাহেব এসেছেন। তারও আগে যদি ১৯৭৫ সালের পরে বলা হয়, এইরকম অর্থনৈতিক পজিশন কখনো আসেনি। বিশেষ করে এতে ইনভেস্টমেন্টে মানে বিনিয়োগে মানুষ এত কম করেনি। ১৮ কোটি মানুষের দেশের লোকে যদি ইনভেস্টমেন্ট না হয় তাহলে কর্মসংস্থান হবে না। এই আমাদের দেশে যে লাস্ট গণ আন্দোলনটা হলো তার মুখ্য উদ্দেশ্যই ছিল কিন্তু মানুষের ছেলেমেয়েদের চাকরির ব্যবস্থা করা।

গোলাম মোস্তফা বলেন, সরকারি হোক বেসরকারি হোক। যাদের কর্মসংস্থানের দরকার। প্রতিবছরে প্রায় ২৬ লক্ষ লোক ইয়াং ছেলে জব মার্কেটে আসতেছে। ১৮ কোটি মানুষের দেশের যদি সমস্যা না থাকে তাহলে ধরে নিতে হবে এই সমাজে কোন মানুষ নেই। ডেড ম্যান হ্যাজ নো কমপ্লেন। মৃত লাশের কোন কমপ্লেন নাই। মানুষ যখন জীবিত থাকে, তখন বলে মাথা ব্যথা করে তখন বলে ঘাড় ব্যথা করে। তখন বলে আমার মন ভালো নাই। আমরা আগায় যাচ্ছি। আমাদের এক্সপোর্টের গ্রোথ অল্প হলেও আছে। কিন্তু নতুন কোন ইনভেস্টমেন্ট নাই। আমাদের ডলারের এগেন্স্টে টাকা ক্রমাগত নিচে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের জন্য এখন ১০০ প্লাস বিলিয়ন ডলার এক্সপোর্ট করা দরকার। আমাদের যে কম্পিটিটর কয়েকটা কান্ট্রির কথা যদি বলি তার মধ্যে একটা ভিয়েতনাম ভিয়েতনাম ৪৭২ বিলিয়ন ডলার এক্সপোর্ট করে। আমরা সেখানে সরকারি হিসেবে ৫২, ৫৪ বিলিয়ন ডলার এক্সপোর্ট করি। আমরা ৩৮ বিলিয়ন ডলার রেডিমেড গার্মেন্টস এক্মপোর্ট করেছি। এর আগে যেটা আমরা ৫২ বিলিয়ন পর্যন্ত উঠেছিল। কি জন্য নেমেছে আমি জানি না। হিসাবের গরমিল অথবা যেটাই হোক। আমি একটা জিনিস বলতে চাই যে ভিয়েতনাম যদি ৪৭২ বিলিয়ন ডলার এক্সপোর্ট করে, আমরা শুধু গার্মেন্টস প্রোডাক্ট এক্সপোর্ট করেই ৪০০ বিলিয়ন ডলার এক্সপোর্ট করতে পারবো না। এক্সপোর্ট ডাইভার্সিফিকেশন এর বিষয় গুলো আছে।

Reneta

তিনি উল্লেখ করেন, আমরা যদি সমস্যার কথা না বলে সমাধানের কথা বলি, আমরা মনে করি যে ভিয়েতনাম থেকে অনলি স্যামসং যে কোম্পানিটা বাংলাদেশে এসেছিল, আমাদের এখানে ফ্যাক্টরি করার জন্য সে ৬৫ বিলিয়ন ডলার এক্সপোর্ট করে। ভিয়েতনাম থেকে সে ৭৫ বিলিয়ন ডলার প্রোডাকশন করে সেই কান্ট্রিতে। আমরা যদি আজকে স্যামসং এর মতো এলজি, অ্যাপল অথবা আইফোন, আমরা যদি ফসকন কে নিয়ে আসতে পারি, আমরা যদি হুয়াই কে নিয়ে আসতে পারি, বাংলাদেশে প্রোডাকশন করি, সেগুলি এক্সপোর্ট করি তবে বড় ধরণের এক্সপোর্ট বেনিফিট সম্ভব। এইরকম বড় বড় কোম্পানিগুলিকে বাংলাদেশে এক্সপোর্ট ওরিয়েন্টেড ইন্ডাস্ট্রি করতে নিয়ে আসা যায়। আমরা গার্মেন্টস ডেনিম এক্সপোর্ট করি ফাইভ ডলারে। একটা সোয়েটার এক্সপোর্ট করি সাড়ে চার পাঁচ ডলারে। একটা টিশার্ট এক্সপোর্ট করি দেড় ডলারে সোয়া ডলারে দুই ডলারে। এই করে বিলিয়ন ডলার এক্সপোর্ট ইজ রিয়ালি ডিফিকাল্ট। সো আমরা হাই এন্ড প্রোডাক্ট করা উচিত।

আমরা শুনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা দেশ থেকে টাকা লুট করে নিয়ে যাচ্ছে কোন কোন দেশে টাকা লুট করে নিয়ে যাচ্ছে? আপনারাও তো ব্যবসায়ী। নিশ্চয়ই জানেন? তিনি বলেন, আপনার প্রশ্নের উত্তর শুধু একটা দিতে পারি, তা হলো পৃথিবীতে কোন টাকাই কোন দেশে আপনি আটকায় রাখতে পারবেন না। যদি কোন বাধা নিষেধ থাকে অসম আইন যদি থাকে।

পৃথিবীতে যদি টপটেন অবৈধ টাকা আউটফ্লো থেকে থাকে আনঅফিসিয়ালি, নাম্বার ওয়ান চায়না, নাম্বার টু ইন্ডিয়া, নাম্বার থ্রি ব্রাজিল, রাশিয়া, নাম্বার ফোর ব্রাজিল, নাম্বার ফাইভ এনি কান্ট্রি। বাংলাদেশ ইজ নট ইভেন ইন দ্য লিস্ট। ইউ জাস্ট ইট। চেক গুগল অর এনি ডিপার্টমেন্ট। অতি সম্প্রতি আমরা দেখেছি যে ২৮ লক্ষ কোটি টাকা বাংলাদেশ থেকে চলে গেছে। তার মধ্যে প্রতিবছরে ১৬ বিলিয়ন ডলার। গত ছয় মাসে তো বাংলাদেশ থেকে এক টাকাও যায়নি। তাহলে ২০ বিলিয়ন ডলার তো এর আগে ছিল, এখন ২৮ বিলিয়ন ডলার হওয়ার কথা ছিল। এখন তো ২৮ বিলিয়ন ডলার হয়নি ইভেন ২২ বিলিয়ন ডলারও হয়নি। আমি একটা জিনিস বলি, টাকা গেছে কি যায় নাই এই বিষয়ে আমি যাচ্ছি না। আমার কথা হচ্ছে বাংলাদেশের থেকে টাকা যাওয়ার কোন সিস্টেম নেই। পৃথিবীতে কোথাও বাংলাদেশে নোট চলে না। কি হয়েছে, বাইরের থেকে যে টাকাটা আসার কথা ছিল সেই টাকাটা হয়তো অথবা আসে নাই। উনারা বলতেছে আইদার আন্ডারে নতুবা ওভার ইনভয়েজে টাকা পাচার হয়। আমি একটা জিনিস বলতে চাই। গত সাত দিনে সুগারের দাম অলমোস্ট বাংলাদেশি টাকায় কেজিতে আট টাকা বেড়ে গেছে। এখন বাংলাদেশে কিন্তু আট টাকা বাড়ে নাই। এর কারণটা, আগে থেকেই চিনি ছিল, এ জন্যই কিন্তু হয়নি। কিন্তু এখন কেউ যদি কেউ বুকিং দেয়, আজকের থেকে সাত দিন আগের যে বুকিং ছিল আজকের মধ্যে ১০০ ডলারের ডিফারেন্স হবে। আমার যেটা মনে হচ্ছে যে কেউ কিছু অফিশিয়ালি বলার আগে প্রমাণটা

তিনি বলেন, আগে নিয়ে আসা উচিত। যদি বলেন সিঙ্গাপুরে যদি চলে গেছে তা হলে তো সরকারের অনুমতি নিয়ে গেছে। ব্যবসায়ীরা কি অনুমতি নিয়ে টাকা পাচার করে? ব্যবসায়ীরা তো হুন্ডির মাধ্যমে করে। ব্যবসায়ীরা হুন্ডি করে দেশটাকে টিকে রাখছে। কারণ হুন্ডি যদি না হতো তাহলে বাংলাদেশে ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট ইন্ডাস্ট্রি করতে পারতো না।

তিনি আরও বলেন, আমি একটা জিনিস বুঝেছি বা দেখেছি। বাইরের থেকে যতটুকু মনে হয় ভিতর তেমনটা হয় না। আজকে যারা সরকারে চালাচ্ছে তারা বুঝতে পারছে যে হাউ টাফ দিস কান্ট্রি। এটা রান করার জন্যে কত লোকের দরকার হয়। কত টাকার দরকার হয়। কত নেগোসিয়েশন দরকার হয়। এখন তো সবকিছু স্ক্রিনে পাওয়া যায়। কোন জিনিসের কম। এখন মার্সিডিস গাড়ির দাম একরকম হতে পারে, টয়োটা করোলার দাম এক রকম হতে পারে। ব্যবসায়ীদের সব দোষ তারপরেও এই ব্যবসায়ীরা কিন্তু বাংলাদেশে সব থেকে বেশি টাকা দিয়েছে। ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে টাকা রাখতে চায় না কেন? বিনিয়োগের পরিবেশ নেই সেই জন্য।

সবশেষে তিনি বলেন, আপনি যদি রিফাইন সুগারের কথা বলেন বাংলাদেশে কোন রিফাইন সুগার হয় না। বাংলাদেশে র’সুগার নিয়ে এসে আমাদেরকে রিফাইন সুগার করতে হয়। বাংলাদেশে করতে পাঁচটা রিফাইনারি আছছে। প্রায় ২৫ লক্ষ বা ২৭ লক্ষ টন আমরা চিনি র’সুগার থেকে রিফাইন করে উৎপাদন করি। আমরা কিছুদিন এক্সপোর্টও করেছি। আমরা ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে বহু এক্সপোর্ট করছি। হাজার কোটি টাকা আমরা বাংলাদেশের জন্য আমদানি করেছি এখন এক্সপোর্ট করতে দেয় না। নতুন করে আমরা চায়নায় এক্সপোর্ট করতে পারি। এখন ২৫ শতাংশ ডিউটি জিরো ডিউটি করে দিয়েছে চায়না। উই ক্যান এক্সপোর্ট টু চায়না।

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: অর্থনীতিআইনশৃঙ্খলাচেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফাদেশবন্ধু গ্রুপ
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

ছবি: সংগৃহীত

ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থীদের জন্য অন-অ্যারাইভাল ভিসার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

জুলাই ২, ২০২৬

মেসি এখনও অনবদ্য, অতুলনীয়: রুমী

জুলাই ২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশবিরোধী অপপ্রচার কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জুলাই ২, ২০২৬

জুনে রপ্তানি আয় বেড়ে ৪২০ কোটি ডলার

জুলাই ২, ২০২৬

বক্স অফিস কাঁপানো ‘বরবাদ’ টিমের নতুন মিশন!

জুলাই ২, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey June 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT