দেশে একজন ব্যবহারকারীর নামে সর্বোচ্চ ১০টি সিম নিবন্ধনের নতুন নিয়ম কার্যকর করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অতিরিক্ত সিম বাতিল না করলে সংশ্লিষ্ট গ্রাহক আইনগত জটিলতায় পড়তে পারেন।
বিটিআরসি জানিয়েছে, নির্ধারিত সংখ্যার বেশি সিম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। অবৈধ সিম ব্যবহার রোধ, সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
যেভাবে করবেন সিম বাতিল
গ্রাহকরা তাদের মোবাইল অপারেটরের হেল্পলাইনে (যেমন—১২১) যোগাযোগ করে অতিরিক্ত বা অপ্রয়োজনীয় সিম বন্ধ করতে পারবেন। অপারেটর কর্তৃপক্ষ জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ও অন্যান্য তথ্য যাচাইয়ের পর সংশ্লিষ্ট সিমটি বন্ধ করে দেবে।
এ ছাড়া নিজের নামে কতটি সিম নিবন্ধিত আছে তা জানতে *১৬০০১# ডায়াল করতে হবে। ফিরতি মেসেজে সংশ্লিষ্ট জাতীয় পরিচয়পত্রের সঙ্গে যুক্ত সব নম্বর প্রদর্শিত হবে। যদি কোনো নম্বর নিজের না হয়, অথবা পুরোনো, নিষ্ক্রিয় বা অপ্রয়োজনীয় সিম থেকে থাকে, তাহলে অপারেটরের সঙ্গে যোগাযোগ করে তা বাতিলের আবেদন করা যাবে।
বিটিআরসির তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালে জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) মাধ্যমে সিম নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু করা হয়। এরপর ২০১৭ সালে একজন গ্রাহকের জন্য সর্বোচ্চ ১৫টি সিম রাখার সীমা নির্ধারণ করা হয়। তবে সম্প্রতি নিরাপত্তা ও ব্যবহারিক বাস্তবতা বিবেচনায় সেই সংখ্যা কমিয়ে ১০টিতে নামিয়ে আনা হয়েছে।
বিটিআরসি গ্রাহকদের আহ্বান জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নিজ নামে নিবন্ধিত সিমগুলো যাচাই করে অতিরিক্ত সিমগুলো বন্ধ করতে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো ধরনের আইনগত জটিলতার মুখে পড়তে না হয়।








