দিনাজপুরের বিরলে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছে এক পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী নারী অভিযোগ করলে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ওই কনস্টেবলকে ক্লোজড করে।
পুলিশ সদস্যের এমন কর্মকাণ্ডে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্বজনসহ এলাকাবাসী। অভিযোগ পাওয়ার পর প্রাথমিক অবস্থায় কনস্টেবলকে ক্লোজড করেছে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ।
জানা যায়, বিরল উপজেলার জগতপুর পুলিশ ফাঁড়ির কনস্টেবল সোহেল রানার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছেন ওই এলাকার এক গৃহবধূ।
স্বজন ও এলাকাবাসী জানিয়েছেন, দুই সন্তানের জননী ঐ নারী একটি মাদ্রাসায় রান্নার কাজ করতো। পাশেই পুলিশ ফাঁড়ির কনস্টেবল চাকরি সুবাদে সোহেল রানা ওই এলাকায় থাকাকালীন তাদের মধ্যে পরিচয় হয়। পরিচয়ের একপর্যায়ে তাদের মধ্যে সখ্যতা তৈরি হয়। ওই কনস্টেবল বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় এক বছর ধরে তার সঙ্গে দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। একাধিকবার তাকে বিয়ের জন্য চাপ দিল সে পাশ কাটিয়ে যায়। শনিবার রাতে ওই নারী ফাঁড়িতে গিয়ে তাকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে কনস্টেবল সোহেল রানা তাকে আঘাত করে কৌশলে পালিয়ে যায়। পরে সেই রাতেই ওই নারীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পুলিশের এমন কর্মকাণ্ড এলাকায় কেউ মেনে নিতে পারছে না। এলাকাবাসী চায় ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে প্রশাসন।
বিরল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মাওলা জানিয়েছেন, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে কনস্টেবল সোহেল রানাকে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে।
ওসি জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বিভাগীয় তদন্তের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ।








