গণঅভ্যুত্থানের সৈনিক ছাত্র-জনতার ওপরে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের আক্রমণ, ছাত্রলীগ নিষিদ্ধের দাবি, সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে সরকারের দীর্ঘসূত্রতার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীরা। এসময় শিক্ষার্থীরা শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে উপযুক্ত বিচারের দাবি করেছেন, অন্যথায় এই আন্দোলন আবারও গণবিপ্লবে রুপান্তরিত হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।
বুধবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়কে সমবেত হন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা। পরে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে মানববন্ধন কর্মসূচি শেষ করেন তারা।
এসময় শিক্ষার্থীদের হাতে ‘মানবতাবিরোধী সন্ত্রাসী সংগঠন আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করতে; বিচারপতিদের প্রহসন মানি না মানবো না; দালাল বিচারপতিদের অপসারন করতে হবে; টেরোরিস্ট সংগঠন ও জঙ্গিলীগ নিষিদ্ধ করতে হবে’ ইত্যাদি প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।
বক্তারা বলেন, স্মরণ করছি সেই শহিদদের যারা বুকের তাজা রক্ত বিলিয়ে দিয়েছে দেশকে স্বৈরাচার মুক্ত করার জন্য। এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে শেখ হাসিনা খুনি আবু সাইদের মতো হাজারো মেধাবী শিক্ষার্থীদের জীবন কেড়ে নিয়েছে। শুধু ৩৬ দিনের এই আন্দোলনে নয়, বরং ১৬ বছর বিভিন্ন সময় সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীদের ঘুম, খুন ও নির্যাতন চালিয়েছে শুধুমাত্র ক্ষমতা ঠিকে রাখার জন্য।
তারা বলেন, যে সন্ত্রাসী সংগঠনের সাথে আমাদের ভাই-বোন, মা-বাবার রক্ত জড়িয়ে আছে সেই সংগঠনকে আমরা কখনও মেনে নিতে পারি না। বর্তমান সরকার, আমাদের সরকার, তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং বিপ্লবী সরকারকে একটা বার্তা দিতে চাই, আমরা প্রথমদিকে কয়েকজন শিক্ষার্থী আন্দোলন শুরু করলেও শেষদিকে গণআন্দোলনে রূপ নেয়।
শিক্ষার্থীরা বলেন, অনতিবিলম্বে শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরে এনে উপযুক্ত বিচারের আওতায় না আনলে আমাদের আন্দোলন আবারও গণবিপ্লবে রুপান্তরিত হবে। যদি আমাদের কথা আপনারা কর্ণপাত না করেন তাহলে এমন আন্দোলন করা হবে আপনারাও পিছু হটতে বাধ্য হবেন। সুতরাং ছাত্র জনতার প্রাণের দাবি, মনের দাবি এই সন্ত্রাসী লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে।







