সাহিত্যে চলতি বছর অর্থ্যাৎ ২০২৪ সালের নোবেল পুরস্কার লাভ করেছেন সাউথ কোরিয়ান লেখক হান কাং। তার দারুণ কাব্যময় গদ্যের জন্য এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। নোবেল কমিটি জানিয়েছে, হান কাং এর লেখা ঐতিহাসিক বেদনা এবং মানব জীবনের ভঙ্গুরতাকে প্রকাশ করে।
আজ বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) সুইডেনের স্টকহোমে বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টায় সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য নাম ঘোষণা করেছে নোবেল কমিটি।
নোবেল কমিটি জানিয়েছে, হান কাং তার লেখায় ঐতিহাসিক বেদনা এবং অদৃশ্য নিয়মের মুখোমুখি হয়েছেন এবং তিনি তার প্রতিটি কাজে মানব জীবনের ভঙ্গুরতা প্রকাশ করেন। দেহ এবং আত্মা, জীবিত এবং মৃতের মধ্যে সংযোগ সম্পর্কে তার একটি অনন্য সচেতনতা রয়েছে। কাব্যিক ও অভিজ্ঞতালব্ধ লেখার ধরনের মাধ্যমে তিনি সমসাময়িক গদ্যে নতুন মাত্রা যুক্ত করেছেন।
হান কাং ১৯৭০ সালে সাউথ কোরিয়ার গওয়াংজু শহরে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৯ বছর বয়সে পরিবারসহ সিউলে চলে যান। তার বাবা একজন স্বনামধন্য ঔপন্যাসিক। ছোটবেলা থেকে তিনি একটি সাহিত্যিক পরিবেশেই বেড়ে ওঠেন। লেখালেখির পাশাপাশি হান কাংয়ের শিল্প ও সঙ্গীতের প্রতিও আগ্রহ রয়েছে, যা তার সাহিত্যিক কাজেও প্রতিফলিত হয়েছে।
প্রতি বছর অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার থেকে নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা শুরু হয়। গত ৭ অক্টোবর এবছর নোবেল জয়ীদের নাম ঘোষণার প্রথম দিনেই চিকিৎসাশাস্ত্রে পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। চিকিৎসাশাস্ত্রে ২০২৪ সালে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছেন ভিক্টর অ্যামব্রোস এবং গ্যারি রুভকুন। মাইক্রোআরএনএ আবিষ্কার এবং পোস্ট-ট্রান্সক্রিপশনাল জিন নিয়ন্ত্রণে এর ভূমিকার জন্য তারা এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।
সুইডিস বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেলের নামে ও তার রেখে যাওয়া অর্থে প্রতি বছর নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়। তিনি ডাইনামাইটের উদ্ভাবক ছিলেন। তার মৃত্যুর পাঁচ বছর পর ১৯০১ সাল থেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য এই পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়।
আলফ্রেড নোবেলের মৃত্যুর দিবস ডিসেম্বরের ১০ তারিখ বিজয়ীদের হাতে পুরস্কারের অর্থ তুলে দেওয়া হয়। পুরস্কার বিজয়ীরা একটি স্বর্ণপদক, প্রশংসাপত্র এবং বর্তমানে ১১ মিলিয়ন সুইডিশ ক্রোনার পান।







