ভয়ঙ্কর এক মৌসুম পার করেছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটি। ক্লাবটির হয়ে এমন ভরাডুবি এর আগে আর কখনও দেখতে হয়নি কোচ পেপ গার্দিওলাও। সদ্য শেষ হওয়া মৌসুমের হতাশা কাটিয়ে সিটির ডাগআউটে ভাগ্য বদলের সুযোগ গার্দিওলার। ক্লাব বিশ্বকাপ খেলতে ইতিমধ্যেই ফ্লোরিডায় পা রেখেছে টুর্নামেন্টের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন দলটি। তবে গত মৌসুমটা সিটি যেভাবে কাটিয়েছে সেটি অন্য কোনো দল হলে গার্দিওলা বরখাস্ত হতেন বলেই মনে করেন।
বুধবার মরক্কোর ক্লাব ওয়াইডাড এসি বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামবে ম্যানসিটি। বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় শুরু হবে মাঠের লড়াই। সিটির পরের ম্যাচ সৌদির আল আইন আর শেষ ম্যাচে ইতালিয়ান জায়ান্ট জুভেন্টাসের বিপক্ষে নামবে তারা।
ইপিএল, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ কিংবা ঘরোয়া টুর্নামেন্টে ব্যর্থতার পরেও গার্দিওলার সঙ্গে নতুন চুক্তি করেছে সিটি। এটা যে প্রত্যাশিত ছিল তার জন্য। ইংলিশ না হয়ে কোনো স্প্যানিশ ক্লাব হলে, ছাঁটাই হতেন বলেও মনে করেন এই স্পেনিয়ার্ড কোচ।
৫৪ বর্ষী স্পেনিয়ার্ড কোচ বলেছেন, ‘এই বছরটা যেমন গেছে, যদি এটা স্পেন হতো, তাহলে আমি অক্টোবর, নভেম্বর বা ডিসেম্বর পর্যন্ত কোচ হিসেবে থাকতাম না। যদি এটা বার্সা বা রিয়াল মাদ্রিদ হতো, তাহলে আমাকে তারা ছাঁটাই করত। কিন্তু এখানে সেই প্রশ্ন কখনো ওঠেনি। কার্লো আনচেলত্তির দিকে তাকান। কদিন আগেই সে চ্যাম্পিয়নস লিগ ও লা লিগা জিতেছে। আর এখন সে ব্রাজিলের কোচ।’
তিন নতুন সাইনিং নিয়ে ফ্লোরিডায় পা রেখেছে সিটিজেনরা। জাতীয় দলের দায়িত্ব শেষে আছেন পুরনো তারকারাও। ক্লাব বিশ্বকাপ জয়ের মধ্য দিয়ে আবারও চেনা ছন্দে ফিরতে পারে ম্যানসিটি।
টুর্নামেন্টের সফলতম কোচ গার্দিওলা। একমাত্র কোচ হিসেবে জিতেছেন ৪ শিরোপা। সেই সঙ্গে ভিন্ন ৩ ক্লাবের হয়ে এই শিরোপা জয়ের রেকর্ডটাও তার। ২০০৯, ২০১১, ২০১৩ আর ২০২৩। বার্সেলোনার হয়ে প্রথম দুটি, এরপর বায়ার্ন মিউনিখ আর সবশেষ সিটি। ক্যারিয়ারে সবগুলো ক্লাবের হয়ে এই টুর্নামেন্ট জয়ের নজির। এবার সিটির হয়ে সংখ্যাটা দ্বিগুণ করার সুযোগ। স্প্যানিয়ার্ডের ওপর ম্যানেজমেন্টের যে আস্থা, তার প্রতিদান দিতে শিরোপা জয়ের বিকল্প নেই।








