অস্ট্রেলিয়ার পেস-অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিন দীর্ঘস্থায়ী কিডনি সমস্যা বা ক্রনিক কিডনি রোগ নিয়ে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তার সমস্যার কথাটি অল্প মানুষই জানতো, সতীর্থ-বন্ধুরাও খুব একটা জানতেন না। পার্থে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে সেরা একাদশের বাইরে থাকার পর টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে কথাটি জানিয়েছেন গ্রিন।
২৪ বর্ষী গ্রিন জানান, ‘আমার বাবা-মা বলেছিল, দীর্ঘস্থায়ী কিডনি সমস্যা নিয়ে জন্মেছিলাম। মূলত তখন কোনো লক্ষণ ছিল না, সেটা ধরা পড়েছিল আল্ট্রাসাউন্ডের মাধ্যমে।’
‘ক্রনিক কিডনি সমস্যা মূলত ধীরে ধীরে বাড়তে থাকা একটি দীর্ঘস্থায়ী রোগ। দুর্ভাগ্যবশত আমার কিডনি রক্ত পরিশোধন করতে পারে না। এটার মাত্রা এখন ৬০ শতাংশ, যেটা এ রোগের দ্বিতীয় পর্যায়।’
‘নিজেকে ভাগ্যবান মনে করতে পারি, কারণ এটা আমাকে অন্যদের মতো এতবেশি আক্রান্ত করতে পারেনি। এটার পাঁচটি পর্যায় রয়েছে, যার প্রথম পর্যায়ে তেমন সমস্যা হয় না। কিন্তু শেষপর্যায়ে ডায়ালাইসিস করাতে হয়। সৌভাগ্যবশত আমি দ্বিতীয় পর্যায়ে, যদি ভালোভাবে দেখাশুনা না করেন, সেটা খারাপের দিকে যাবে। কিডনি ভালো হয় না। এটা অপরিবর্তনীয়। তাই অসুস্থতার গতি ধীর করার জন্য মূলত চেষ্টা করতে পারেন।’
গ্রীনের মা যখন ১৯ সপ্তাহের গর্ভবতী, তখন মাতৃগর্ভেই কিডনি রোগে আক্রান্ত হন তারকা ক্রিকেটার। তার ক্রিকেটার হওয়ার পেছনে বড় ভূমিকা রাখা বাবা গ্যারি গ্রীন বলেছেন, তিনি ধারণা করেছিলেন ছেলে ১২ বছরের বেশি বাঁচবে না। তবে সব ধারণা উড়িয়ে গ্রীন এখন অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার।








