ডেপুটি স্পিকার মোঃ শামসুল হক টুকু বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধে ভারত আমাদের ১ কোটি শরণার্থীর জন্য খাদ্য, চিকিৎসা ও বাসস্থানের ব্যবস্থা করেছিল, যা পৃথিবীর ইতিহাসে একটি বিরল দৃষ্টান্ত। মিত্রবাহিনী আমাদের আমাদের জন্য রক্ত দিয়েছে, আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কটা একটি বিশেষ কিছু। তাদের এই অবদানকে আমরা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করি। এই সম্পর্ককে আরও উচ্চতায় নিয়ে যেতে দুই দেশের সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মোঃ শামসুল হক টুকু, এমপি ঢাকা গ্যালারিতে মৈত্রী দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত “মিট দ্য সোসাইটি” শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।
ডেপুটি স্পিকার বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং বিশ্ব পরিস্থিতির সার্বিক বিবেচনায় ৬ ডিসেম্বর ভারতের লোকসভায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধী বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ার ব্যাপারে তার সরকারের সিদ্ধান্ত জানিয়ে একটি বিবৃতি দেন। লোকসভায় সর্বসম্মতিক্রমে ভারত সরকারের ওই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে এই স্বীকৃতির ফলে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধকে সরাসরি সমর্থন ও সহযোগিতা করা ভারতের জন্য অনেকটাই সহজ হয়ে যায়।
মোঃ শামসুল হক টুকু বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শৈশবকাল থেকে, বিশেষ করে ছাত্র জীবন থেকে কলকাতায় বসবাস করতেন। তিনি জীবনভর অসাম্প্রদায়িক চিন্তা ভাবনায় লালিত পালিত। পারিবারিকভাবে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যখন ছিলেন তখন অসাম্প্রদায়িকতানই চর্চা করতেন। ভারতের সাথে আমাদের সংস্কৃতি, পরিবেশ, শিক্ষা, ও সাহিত্যসহ নানাদিকেই সম্পর্ক ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। হাইকমিশনারকে ধন্যবাদ, আপনারা সম্প্রীতি রক্ষা, আরও অটুট এবং দীর্ঘস্থায়ী করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন।







