স্বেচ্ছাশ্রমে নিজ উদ্যোগ ও অর্থায়নে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করার স্বীকৃতিস্বরুপ ‘হিরো অ্যাওয়ার্ড ২০২২’ পেলেন গিরিধর দে । বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ইতিহাস চর্চা কেন্দ্রিক সংগঠন ও সংগ্রহশালা ‘বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র’ নামক একটি প্ল্যাল্টফর্ম প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার জন্যই এই পুরস্কার পান তিনি।
শনিবার দুপুরে বাংলাদেশ লায়নস ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আরভি ফাউন্ডেশনের আয়োজনে লিডারস সামিট ও হিরো অ্যাওয়ার্ড ২০২২ অনুষ্ঠানে দেশের প্রায় দুই হাজার আবেদনকারী সংগঠনের ভেতর বিজয়ী ঘোষিত হয়ে পুরস্কার গ্রহণ করেন গিরিধর দে । এসময় তার হাতে পুরস্কার তুলে দেন একুশে পদক প্রাপ্ত অভিনেত্রী সুজতা আজিম ও শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো: শহিদুর রশিদ ভূইয়া ।
গিরিধর দে একজন সমাজকর্মী ও তরুণ গবেষক । দেশব্যাপী বাংলার আবহমান ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংগ্রাম, সংস্কৃতি, প্রত্মতাত্ত্বিক নিদর্শণের ঐতিহাসিক দলিলাদি সংগ্রহ, চর্চা, গবেষণা, প্রচার, তথ্যবিকৃতিরোধ ও ডিজিটালভাবে সংরক্ষণের পাশাপাশি বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজেও করেন তিনি । তার প্রতিষ্ঠিত প্ল্যাল্টফর্ম ‘বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র’ এখন সাড়া দেশে তুমুল আলোচিত । শুধুমাত্র অনলাইনেই ফলোয়ার সংখ্যা প্রায় ১৫ লাখ। প্রতি সপ্তাহে তাদের রিচ/পাঠক সংখ্যা প্রায় আড়াই কোটি । ঐতিহাসিক দলিলাদি সংগ্রহ ও তথ্যবিকৃতিরোধ ২০১৬ সালে এর যাত্রা । ৬ বছরে যার সংগ্রহ সংখ্যা প্রায় ৮০ হাজার। ভবিষ্যতে ডিজিটাল মিউজিয়াম করতে চান তারা ।
গিরিধর দে-এর জন্ম ২ ডিসেম্বর ১৯৯৫ সালের ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা উপজেলার চাঁদহাট গ্রামের এক উচ্চবংশীয় পরিবারে । পিতা সুধীর কুমার দে ও মা রীনা রানী দে । গিরিধরের শৈশব গ্রামেই কেটেছে । তিনি চাঁদহাট বাজার উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক ও মুকসুদপুর কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ, ফরিদপুর থেকে অতি সম্প্রতি হিসাববিজ্ঞান বিষয়ে সম্পন্ন করেছেন । তিনি ‘বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক ।
দেশব্যাপী ভিন্নধর্মী উদ্যোগ ও দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করে ‘জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড ২০২১’ সহ নানাসময়ে নানা পদকে ভূষিত হয়েছেন ।







