বাংলাদেশ

প্যাকেটে ঘি, ভেতরে পাম অলিন-বনস্পতি! মসলাতেও মানের ঘাটতি

১০ পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ

BSTI logo, Bangladesh Standards and Testing Institution emblem. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

BSTI logo featuring a triangle with Bengali text and the acronym BSTI in the center. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ

অডিও সংবাদএই খবরটি পডকাস্টে শুনুন

ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় বাংলাদেশ মান (বিডিএস) অনুযায়ী নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় বম্বে সুইটসের পাঁচ ধরনের মসলাসহ ১০টি পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। একই সঙ্গে এসব পণ্যের লাইসেন্স কেন বাতিল করা হবে না, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার বিএসটিআইয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সংস্থাটি জানিয়েছে, নিয়মিত বাজার তদারকির অংশ হিসেবে বিভিন্ন কোম্পানির পণ্য সংগ্রহ করে নিজস্ব ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হয়। এতে কিছু পণ্য নির্ধারিত মান পূরণে ব্যর্থ হয়েছে।

পরীক্ষায় বম্বে সুইটস অ্যান্ড কোং লিমিটেডের কারি পাউডার, হাঁসের মাংসের মসলা, তেহারি মসলা, কালাভুনা মসলা, গরুর মাংসের মসলা ও মাছের মসলা বাংলাদেশ মান অনুযায়ী উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

অন্যদিকে, ঘি ও বাটার অয়েলের পরীক্ষায়ও উঠে এসেছে গুরুতর অসঙ্গতি। বিএসটিআইয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, বাঘাবাড়ী প্রিমিয়াম ঘি কোম্পানির ‘বাঘাবাড়ী’ ব্র্যান্ডের ঘিতে প্রয়োজনীয় মিল্ক ফ্যাট পাওয়া যায়নি। পাম অলিন ও বনস্পতি ব্যবহার করে তা ‘ঘি’ নামে বাজারজাত করা হচ্ছিল বলে পরীক্ষায় ধরা পড়ে।

নিম্নমানের ঘি ও বাটার অয়েলের তালিকায় রয়েছে কিশোরগঞ্জ ফুড প্রোডাক্টসের ‘অরুন বাঘাবাড়ী’, মেসার্স মামুন ফুড প্রোডাক্টের ‘নিউ রাঁধুনী’ ও ‘সিটি’ ব্র্যান্ডের ঘি এবং এলডার্স ফুড প্রোডাক্টস অ্যান্ড প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজের ‘এলডার্স’ ব্র্যান্ডের বাটার অয়েল।

বিএসটিআই বলছে, পরীক্ষায় নিম্নমানের প্রমাণিত এসব পণ্য কেনা থেকে বিরত থাকতে ভোক্তাদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বাজার থেকে পণ্যগুলো প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিএসটিআই মহাপরিচালক (সচিব) কাজী ইমদাদুল হক বলেন, জাতীয় মান অনুযায়ী পণ্যের গুণগত মান বজায় রাখা প্রতিটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের আইনি ও নৈতিক দায়িত্ব। কোনো প্রতিষ্ঠান এ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি ভোক্তাদের পণ্য কেনার আগে বিএসটিআইয়ের মানচিহ্ন, লাইসেন্স নম্বর, উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ এবং পণ্যের উপাদান যাচাই করার পরামর্শ দেন। কোনো পণ্যের মান, ভেজাল, প্রতারণা কিংবা বিএসটিআইয়ের মানচিহ্নের অপব্যবহার নিয়ে অভিযোগ থাকলে ১৬১১৯ নম্বরে বা dg@bsti.gov.bd ঠিকানায় জানাতে অনুরোধ করা হয়েছে।

বিষয়:বিএসটিআই

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…