চলতি মাসের শুরুতে জুয়াকাণ্ডে ১৪৯ জন রেফারি ও সহকারী রেফারিকে বরখাস্ত করেছিল তুরস্ক ফুটবল ফেডারেশন (টিএফএফ)। পাশাপাশি ১৭ রেফারি এবং একজন ক্লাব কর্মকর্তাসহ মোট ২১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে ৮জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একইসঙ্গে তদন্তের অংশ হিসেবে ১,০২৪ জন খেলোয়াড়কে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছে টিএফএফ।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে শীর্ষ স্তরের ক্লাব ইয়ুপস্পোরের চেয়ারম্যান মুরাত ওজকায়া সহ আরও সাতজন রয়েছেন। ইস্তাম্বুলের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয় গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানিয়েছে।
তুরস্কের ফুটবল ফেডারেশন জানিয়েছে, তদন্তের অংশ হিসেবে তারা সব লিগ মিলিয়ে ১,০২৪ জন খেলোয়াড়কে পেশাদার ফুটবল শৃঙ্খলা পরিষদে (পিএফডিকে) পাঠিয়েছে। যার মধ্যে শীর্ষ স্তরের প্রতিযোগীতা সুপার লিগের ২৭ জন খেলোয়াড় রয়েছেন। যাদের সবাইকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। শীর্ষ লিগের গ্যালাতাসারে এবং বেসিকতাসের কয়েকজন খেলোয়াড়ও।’
১,০২৪ জন খেলোয়াড়কে পেশাদার ফুটবল শৃঙ্খলা পরিষদে পাঠানোর কারণে, ক্লাবগুলিকে তাদের স্কোয়াডের ঘাটতি পূরণ করার সুযোগ দিচ্ছে ফেডারেশন। ২০২৫-২০২৬ শীতকালীন দলবদলের পাশাপাশি ১৫ দিনের দলবদল এবং নিবন্ধনের সময়সীমার জন্য ফিফার সাথে জরুরিভাবে আলোচনা শুরু করেছে টিএফএফ। এছাড়া দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্তরের লিগের ম্যাচগুলি দুই সপ্তাহের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।
এর আগে ১৫২ জন পেশাদার রেফারি ও সহকারী রেফারির বিরুদ্ধে ২০ হাজারের মতো ফুটবল ম্যাচে বাজি ধরার অভিযোগ এনে তদন্তে নেমেছিল টিএফএফ। ১৫২ জনের নিবন্ধিত একাউন্ট থেকে বাজি ধরার তথ্য আসে। যার মধ্যে শীর্ষস্থানীয় ৭ জন রেফারি এবং ১৫ জন সহকারি রেফারি আছেন। ১০ জন রেফারি ১০ হাজারের বেশি ম্যাচে বাজি ধরেছেন। কিন্তু একজন একাই পাঁচ বছরে বাজি ধরেছেন ১৮ হাজার ২২৭ ম্যাচে। তবে কেউ কেউ শুধু একটি ম্যাচে ধরেছেন বাজি। পরে ১৪৯ জনকে বরখাস্ত করে টিএফএফ।







