গাজায় খাবার ও পানীয় জলের ভয়াবহ সংকট তৈরি হয়েছে। রুটি এবং খাবার পানির জন্য লাইনে দাড়াতে হচ্ছে সেখানকার বাসিন্দাদের। তাও মিলছে না এগুলো। ইসরায়েল এই অঞ্চলে সম্পূর্ণ অবরোধ আরোপ করার পরে, পানি, খাদ্য, জ্বালানী এবং বিদ্যুতের প্রবল সংকট তৈরি হয়েছে। এত কিছুর পরও থেমে নেই সেখানকার জীবন।
আলজাজিরা জানিয়েছে, সেখানকার সুপারমার্কেটের তাকগুলো খালি পড়ে আছে। সেখানকার বাসিন্দারা জ্বালানি, বিশুদ্ধ পানি, রুটি এবং মৌলিক জিনিসপত্র খুঁজে বেড়াচ্ছেন। বেকারিতে দীর্ঘসময় ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করে চলেছেন। যদি কিছু কিনতে পারেন বা পান তাহলে তাই নিয়ে পরিবারের কাছে যাবেন।

উল্লেখ্য, ইসরায়েলি বাহিনী কর্তৃক অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় আকাশ এবং স্থলপথে ব্যাপক বোমাবর্ষণের ফলে ইতিমধ্যে নিহত হয়েছেন ৮ হাজারেরও বেশি মানুষ যার প্রায় অর্ধেকই শিশু।
গাজার সরকারি মিডিয়া অফিসের মতে, ইসরায়েলি হামলার শুরুর পর থেকে অবরুদ্ধ এই এলাকায় ১৮ হাজার টনেরও বেশি বিস্ফোরক ফেলা হয়েছে। গত তিন সপ্তাহ ধরে, গাজা উপত্যকার অভ্যন্তরে প্রতি কিলোমিটারে প্রায় ৫০ টন বিস্ফোরক পাওয়া গেছে।
প্রবল বোমাবর্ষণের ফলে সেখানকার বেশিরভাগ ঘরবাড়ি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। গাজা শহরের পশ্চিমে ‘শাতি’ শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেওয়া আহমদ ঘাবেন নামের এক ব্যক্তি একটি বোমা বিধ্বস্ত স্থানে দাঁড়িয়েছিলেন যেখানে বাড়িগুলো প্রায় মাটির সাথে মিশে গিয়েছে। তিনি বলেন, পুরো এলাকা ধ্বংস হয়ে গেছে। তরুণ ও বৃদ্ধকে হত্যা করা হয়েছে। আবু মোহাম্মদ আল-জাবারির পরিবার, আবু মোহাম্মদ আবদেল সামাদের পরিবার সবাই মারা গেছে। আমাদের ওপর তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে তারা। তারা কি মনে করে যে আমরা একটি সেনাবাহিনী? আমরা সবাই এখানে বেসামরিক নাগরিক।








