সিলেটে বন্যা পরিস্থিতি কোথাও উন্নতি, আবারও কোথাও অবনতি হয়েছে। উজান থেকে নামা পাহাড়ি ঢলে বাড়ছে সিলেটের নদ-নদীর পানি। সীমান্ত এলাকায় পানি কিছুটা কমলেও বাড়ছে শহর ও নিম্নাঞ্চলে। অকাল বন্যায় এরইমধ্যে পানির নিচে তলিয়ে গেছে সিলেট শহরের কিছু অংশসহ সাতটি উপজেলার নিম্নাঞ্চল।
পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন কয়েক লক্ষাধিক মানুষ। জেলা প্রশাসনের পক্ষ বন্যার্তদের উদ্ধারের পাশাপাশি দুর্গতদের জন্য খোলা হয়েছে আশ্রয়কেন্দ্র, দেয়া হচ্ছে ত্রাণ। সীমান্তবর্তী জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট, কানাইঘাট, কোম্পানীগঞ্জ, বিয়ানীবাজার, জকিগঞ্জ ও গোলাপগঞ্জের অনেক এলাকা এখন বন্যাকবলিত।
সিলেট পানি উন্নায়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো: শফিকুল ইসলাম বলেন, সুরমা, কুশিয়ারা ও সারি নদীর পানি কয়েকটি পয়েন্টে বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও দুটি পয়েন্ট বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রভাবিত হচ্ছে। আর বৃষ্টিপাত না হলে বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছে। বন্যার্তদের উদ্ধার ও আশ্রয় কেন্দ্র খোলার পাশাপাশি প্রশাসনের পক্ষ থেকে চাল, শুকনো খাবার ও অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।
বানবাসী মানুষের জন্য সিলেট জেলায় ৫৪৭টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। এর মধ্যে সাতটি উপজেলার ৩৪৯টি আশ্রয় কেন্দ্রে বন্যাকবলিত এলাকার ৪ হাজার ৮০২ জন লোক আশ্রয় নিয়েছে।







