সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি খানিকটা কমে বন্যা পরিস্থিতি উন্নতির আভাস পাওয়া গেলেও ছাতক পয়েন্টে এখনও পানি বিপৎসীমার ৯০ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে।
তবে শিমুল বাড়ি ও কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৫০ সেন্টেমিটার অতিক্রম করায় কুড়িগ্রামে বন্যা পারিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। নেত্রকোনায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে, সেখানে বন্যার পানিতে ডুবে একটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
প্রতিবছর বন্যা ও নদী ভাঙনে নি:স্ব হয়ে পড়ে নদী অববাহিকার অনেক মানুষ। কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র, দুধকুমার, ধরলা, তিস্তাসহ ১৬টি নদ-নদীর তীরবর্তী অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হয়েছে। ব্রহ্মপুত্র ও দুধকুমার নদের পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে ধরলা নদীর পানি। তলিয়ে গেছে মৌসুমী ফসলের ক্ষেত।
নদীর তীরবর্তী অঞ্চলের প্রায় ১৫ হাজারেরও বেশি পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। ভেঙে পড়েছে এসব এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা। বন্যায় দুর্ভোগে পড়েছে এসব এলাকার মানুষজন। সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও চরম দূর্ভোগে বন্যাকবলিত এলাকার মানুষ। কাজ না পেয়ে খাদ্য সংকটে পড়েছেন অনেকেই। পর্যাপ্ত ত্রাণ সহায়তার দাবি জানিয়েছেন বন্যাদুর্গত মানুষজন।
বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে নেত্রকোণায় কলমাকান্দার পর নতুন করে সদর ও বারহাট্রা, মোহনগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। জেলার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে অন্তত ১২০টি গ্রাম। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুতি নেওয়ার কথা জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।
নেত্রকোনায় উব্ধাখালি নদীর পানি কলমাকান্দা পয়েন্টে বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও কংশ নদ, সোমেম্বরী নদী ও ধনু নদের পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।







