কুড়িগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। ব্রহ্মপুত্র,দুধকুমার ও ধরলা নদীর ৫টি পয়েন্টে পানি হ্রাস পেয়েও বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে ৯টি উপজেলার ৪৯ ইউনিয়নের ৪ শতাধিক গ্রাম। পানিবন্দী জীবন যাপন করছে প্রায় ২ লাখ মানুষ।
১০ দিন ধরে বন্যার পানিতে তলিয়ে আছে ঘর-বাড়ির কাঁচা-পাকা সড়ক ও ফসলের ক্ষেত। ঘর-বাড়ি ছেড়ে বানভাসী মানুষজন গবাদি পশু নিয়ে বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র ও উচু বাঁধে ঠাই নিয়েছে। অনেকেই বাঁশের মাচান, নৌকা এবং কলা গাছের ভেলা বানিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন।
বানভাসী মানুষগুলোর মজুদ খাবার শেষ হয়ে যাওয়ায় তারা খাদ্য সংকটে পড়েছে। জেলা প্রশাসন থেকে বরাদ্দ সহায়তা সকলের ভাগ্যে জুটছে না। এখান থেকে সেখানে ছোটাছুটি করছে বানভাসী মানুষ।
এছাড়াও বন্যা কবলিত এলাকায় দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ খাবার পানি, স্যালাইন ও ওষুধের সংকট। কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বিভাগ জানায়, ব্রহ্মপুত্র, ধরলা ও দুধকুমার নদীর ৬টি পয়েন্টে আগামী ৪৮ ঘন্টায় পানি হ্রাস পেয়ে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।








