চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

কোরিয়াকে ধসিয়ে কোয়ার্টারে ব্রাজিল, প্রতিপক্ষ ক্রোয়েশিয়া

Nagod
Bkash July

প্রথমার্ধেই খেলাটা নিজেদের করে নিয়েছিল ব্রাজিল, ৪ গোল দিয়ে। স্টেডিয়াম ৯৭৪-এ দ্বিতীয়ার্ধে একটি গোল শোধ দিতে পেরেছে প্রতিপক্ষ সাউথ কোরিয়া। গোল উৎসবের রাতে শেষ পর্যন্ত ৪-১ ব্যবধানে জিতেছে টিটের শিষ্যরা, কেটেছে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট। যেখানে প্রতিপক্ষ ক্রোয়েশিয়া।

Reneta June

এশিয়ার দলটির উপর রীতিমত রোলারকোস্টার চালিয়েছেন নেইমার-রিচার্লিসনরা। বল দখল, গোলে শট কিংবা আক্রমণ— সব বিভাগেই দাপুটে খেলা সেলেসাওদের সেরা আটে এবার ক্রোয়েটদের পরীক্ষা নেয়ার পালা। গত আসরের রানার্সআপদের বিপক্ষে ৯ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় এডুকেশন সিটি স্টেডিয়ামে সেমির টিকিটের খোঁজে নামবে থিয়াগো সিলভার দল।

সবশেষ দেখায় কোরিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে ৫-১ গোলে জিতেছিল ব্রাজিল। নকআউট পর্বে সেদিনের স্মৃতি ছাপিয়ে যাওয়ার সুযোগ ছিল টিটের দলের। প্রথমার্ধের দাপট পরের অর্ধে বজায় থাকলেও সুযোগ মিসের মহড়ায় গোল বাড়েনি। তবে দুর্দান্ত এক রেকর্ড গড়েছে হলুদ সাম্বারা, বিশ্বকাপে দ্বিতীয়বার কোনো ম্যাচের প্রথমার্ধে পেয়েছে ৪ গোলের দেখা। ১৯৫৪ বিশ্বকাপে গ্রুপপর্বে মেক্সিকোর বিপক্ষেও এমন কীর্তি গড়েছিল ব্রাজিল।

শেষ ষোলোর ম্যাচে গোলে শট এবং পাসিংয়ে অনেক এগিয়ে ছিলেন নেইমাররা, ৫৪ শতাংশ বল পায়ে রেখে ১৪টি শট নিয়ে ৯বার পরীক্ষা নিয়েছেন কোরিয়ার গোলরক্ষকের। জালে জড়িয়েছেন চারবার। বিপরীতে এলিসন বেকারকেও বসে থাকতে দেয়নি এশিয়ার দলটি, পাওলো বেন্তোর শিষ্যদের সাতটি শটের ছয়টিই ছিল গোলমুখে।

ফিফা টেবিলে অনেক পিছিয়ে থাকা দলটির বিপক্ষে ৩৬ মিনিটেই চারবার জালে বল জড়িয়ে দেন সেলেসাওরা। খেলা শুরুর সাত মিনিটে নেইমারের পাসে বল নিয়ে এগিয়ে দেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র। পেনাল্টি থেকে দ্বিতীয় গোলটি আনেন নেইমার, কাতার বিশ্বকাপে ৩০ বর্ষী ফরোয়ার্ডের প্রথম গোলটি আসে ১৩ মিনিটে।

ম্যাচের ২৯ মিনিটে অধিনায়ক সিলভার সহায়তায় রিচার্লিসনের পা থেকে আসে ম্যাচের তৃতীয় গোল। সাত মিনিট পর পাকুয়েতার পায়ে স্কোরলাইন ৪-০ করে ফল নিজেদের দিকে অনেকটাই নিশ্চিত করে নেয় ব্রাজিল।

বিরতির পর আক্রমণের মেজাজ বেশি সময় ধরে রাখতে পারেনি ব্রাজিল। যেন প্রথমার্ধেই কাজ সেরে ফেলার অলসতা ছিল! ৬৬ মিনিটে রাফিনহা ডানদিক দিয়ে আক্রমণে ওঠেন। নিজে গোল করতে পারতেন, সেটা না করে ব্যাকপাস দেন রিচার্লিসনকে। পা ছোঁয়াতে পারলেই নিশ্চিত গোল ছিল। রিচার্লিসন পারেননি।

ব্রাজিলের দমিয়ে যাওয়ার সুযোগে বেশ কয়েকটি আক্রমণ তৈরি করে কোরিয়া। ৭৬ মিনিটে গোলও আনেন পাক সেউং হো। বাকিটা সময়ে দুদল বেশকিছু আক্রমণ চালালেও জালের দেখা পায়নি আর। বড় হারে কোরিয়ার বিদায় হল, আর মিশন হেক্সায় টিকে থাকল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল।

BSH
Bellow Post-Green View