একপ্রকার নিয়ম রক্ষার ম্যাচে লড়তে হচ্ছে ইংল্যান্ড এবং ফ্রান্সকে। বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে হেরে যাওয়া দুদলের লড়াই তৃতীয় স্থান নির্ধারণের জন্য। দুই হেভিওয়েট দলের কারোরই ইচ্ছা নেই ম্যাচটি খেলার। ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি স্পষ্ট ছিল ফরাসি এবং ইংলিশদের মুখে। ফরাসি ডিফেন্ডার ইব্রাহিমা কোনাতে মজা করে বলেই দিয়েছেন, এটি একটি চকলেট পদক।
শনিবার মিয়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ৩টায় তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হবে ফ্রান্স এবং ইংল্যান্ড। ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে আসেন ফরাসি ডিফেন্ডার ইব্রাহিমা কোনাতে, বলেন কোচের জন্য অন্তত জিততে চান তারা। ফ্রান্সের সাইড লাইনে দাঁড়িয়ে কোচ হিসেবে শেষ ম্যাচে নামবেন দিদিয়ের দেশম। বাড়ি ফেরার পর দেশটির কিংবদন্তি জিনেদিন জিদান দলের কোচের দায়িত্ব নেবেন। দেশমের বিদায়ী ম্যাচ জয় দিয়ে শেষ করতে চায় দুবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
ম্যাচের আগে কোনাতে বলেছেন, ‘বিশ্বাস করি, দলের অনেকেই ম্যাচটি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে এবং খেলতে ভালোবাসত। বলছি না যে এটা সহজ, মোটেই তা নয়। আমি সংবাদমাধ্যমে পড়েছি, থমাস টুখেল (ইংল্যান্ড কোচ) বলেছেন এ ম্যাচটি কেউই খেলতে চায় না। হ্যাঁ, এটা সত্যি। আমাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ছিল, যে আমরা ফাইনালে খেলতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আমরা এখনও ফ্রান্সের প্রতিনিধিত্ব করছি এবং এ জার্সি পরা ও জাতীয় সঙ্গীত গাওয়াটা অনেকেরই স্বপ্ন।’
‘খেলোয়াড় হিসেবে, আমরা অন্যকারও জন্য জেতার আগে নিজেদের জন্য জিততে চাই, কিন্তু সত্যি যে, আমরা ফরাসি কোচকে প্রতিদান দিতে চাই। তিনি ফরাসি দলের জন্য, প্রত্যেক খেলোয়াড়ের জন্য অনেককিছু করেছেন। তিনি তাদের সবাইকে বেছে নিয়েছেন, এরজন্য আমাদের কৃতজ্ঞ থাকতে হবে। মাঠের খেলোয়াড়রা জিততে চাইবে। আমরা হতাশ, আমরা এই তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলতে চাইনি, কিন্তু এটা এখনও ইংল্যান্ড বনাম ফ্রান্স, এর সাথে এক মহান ইতিহাস জড়িয়ে আছে।’
মজার ছলে কোনাতে বলেছেন, ‘আমরা আসলেই তৃতীয় স্থানের জন্য খেলতে চাইনি। কিন্তু আমাদের আর কোন উপায় নেই, এটি চকলেট পদক, এই ব্রোঞ্জ পদকটি পাওয়ার জন্য খেলতে হবে।’









