সপ্তাহ দেড়েক আগে শেষ হয়েছে বিশ্বকাপ। নিউ জার্সিতে ফাইনালের পর স্পেন খেলোয়াড়দের সাথে সংঘর্ষে জড়ান আর্জেন্টিনার লিয়েন্দ্রো পারেদেস ও নাহুয়েল মোলিনা, সঙ্গী ছিলেন সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালাও। তাদের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগে ফিফা শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেবে।
মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ম্যাচের পর শিরোপা উদযাপনে মেতে ওঠে স্পেন। সেসময় তাদের সাথে সংঘর্ষে জড়ান আর্জেন্টিনা দলের ওই সদস্যরা। সেই হাতাহাতিসহ বিশ্বকাপে বেশ কয়েকটি ম্যাচে নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করেছে ফিফা।
আর্জেন্টিনার থিয়াগো আলমাদা এবং স্পেন মিডফিল্ডার গ্যাভির বিরুদ্ধেও অখেলোয়াড়ি আচরণের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। তবে পারেদেস, মোলিনা এবং আয়ালার বিরুদ্ধে অভিযোগ গুরুতর। এগুলো গ্যাভি, রদ্রি ও দানি ওলমোর সঙ্গে মাঠের সংঘর্ষের সাথে সম্পর্কিত।
ফিফা বিবৃতিতে বলেছে, ‘ফিফা শৃঙ্খলাবিধি অনুসারে, অভিযুক্তদের এখন তাদের অবস্থান উপস্থাপনের সুযোগ দেয়া হয়েছে, যারপর ফিফা শৃঙ্খলা কমিটি যথাসময়ে একটি সিদ্ধান্ত জানাবে।’
‘ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬এ আর্জেন্টিনার প্রতিনিধি দলের বেশ কয়েকটি ম্যাচের সাথে সম্পর্কিত বৈষম্যমূলক স্লোগান ও অঙ্গভঙ্গি, দেরিতে খেলা শুরু, ম্যাচ ও নিরাপত্তা প্রোটোকল মেনে চলতে ব্যর্থতা, দল ও দর্শকদের দ্বারা অনুপযুক্ত বার্তা প্রদর্শন এবং দর্শকদের দ্বারা বস্তু নিক্ষেপের পরিপ্রেক্ষিতে, ফিফা শৃঙ্খলা কমিটি শৃঙ্খলাবিধির ১৩ নং অনুচ্ছেদের ২(গ) ধারা (ক্রীড়া অনুষ্ঠানকে অক্রীড়াসুলভ প্রদর্শনের জন্য ব্যবহার), ১৪ নং অনুচ্ছেদের ৫ (দলের অসদাচরণ), ১৫ নং অনুচ্ছেদ (বৈষম্য ও বর্ণবাদী গালিগালাজ) এবং ১৭ নং অনুচ্ছেদের (ম্যাচে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা) সম্ভাব্য লঙ্ঘনের জন্য আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের বিরুদ্ধে কার্যক্রম শুরু করেছে।’
বিশ্বকাপ ফাইনালে নিউ ইয়র্কে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন। ম্যাচের ৯০ মিনিট পর্যন্ত জালের দেখা পায়নি কোন দল। অতিরক্ত সময়ে ম্যাচ গড়ালে, ১০৬ মিনিটে গোলের দেখা পায় লা রোজারা। ডান পাশ থেকে আসা বল হেডে ফেররান তরেসের পায়ের সামনে দেন নিকো উইলিয়ামস। বাম পায়ের শটে জাল কাঁপান ২৯ বর্ষী বার্সা তারকা তরেস। তারপর ম্যাচ শেষে ঘটে হাতাহাতির ঘটনা।







