বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এক গোলে এগিয়ে ছিল নরওয়ে। বিরতির ঠিক দুই মিনিট আগে কাউন্টার অ্যাটাক থেকে গোল পেয়ে যান জুড বেলিংহ্যাম। ওই গোলের বিষয়ে আপত্তি ছিল নরওয়ের। তারা আবেদন করেছিল বলটি মাঠের উপরের দিকে থাকা ক্যামেরার তারে লেগে ইংল্যান্ড খেলোয়াড়ের পায়ে গিয়েছিল। তবে এমন কোন প্রমাণ পায়নি ফিফা।
ফিফা প্রতিবেদনে একটি ব্যখ্যা দিয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, ইংল্যান্ডের গোলের আগে বল তারে আঘাত করার কোন প্রমাণ পায়নি। ম্যাচে ২-১ গোলে ফল আসে, অতিরিক্ত সময়ে ম্যাচ জেতে থ্রি লায়ন্সরা। সেমিফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। আর আসর থেকে বাদ পড়ে দেশের পথ ধরেছে নরওয়ে।
ফিফা বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘নরওয়ের বিপক্ষে প্রথমার্ধ শেষে যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে ইংল্যান্ডের গোলের আগে বাতাসে থাকা অবস্থায় ‘কানেক্টেড বল’র সেন্সরে ‘বলের হৃদস্পন্দনে’ কোন ওঠানামা বা তীব্রতা ধরা পড়েনি। অর্থাৎ বলটি উপরের তারে স্পর্শ করে তার গতিপথ পরিবর্তন করেছে এমন কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি।’
নরওয়ের গোলকিপার ওরান নাইল্যান্ড বল শট করার পর মাঝমাঠ পার হয়ে সরাসরি নিচে পড়ে। এক্ষেত্রে খেলা থামানো হয়নি এবং ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি জেরোম ব্রিসার্ড ঘটনাটি পর্যালোচনা করেছিলেন কিনা তা জানা যায়নি। কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও মিশরের মধ্যকার ম্যাচেও ব্রিসার্ড ভিএআরের দায়িত্বে ছিলেন। যেখানে মিশর অভিযোগ করেছিল রেফারিং পক্ষপাতমূলক ছিল।
অবশ্য নরওয়ের কোচ স্টালে সোলবাকেন বলেছিলেন, ‘তিনি এমন কিছু দেখেননি এবং প্রকৃতপক্ষে এমন কোন ঘটনা ঘটেছে সেরকম কোন বার্তাও পাননি। ফিফা বলেছে তারা এমন কোন প্রমাণ পায়নি এবং কোন সিগন্যাল ছিল না। কিন্তু বল সরাসরি উপর থেকে নিচে পড়েছিল।’







