চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ফিফার নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায় ভারত

এএফসি এশিয়ান কাপের বাছাই পেরিয়ে সম্প্রতি মূলপর্বের টিকিট কেটেছে ভারত। কিন্তু আদৌ তারা এশিয়ান কাপ খেলতে পারবে কিনা, সেটা নিয়েই জেগেছে শঙ্কা। ফুটবল ফেডারেশনে সরকারি হস্তক্ষেপের অভিযোগ ওঠায় ফিফা থেকে নিষেধাজ্ঞার হুমকির মুখে পড়েছে দেশটি।

ভারতের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনায় কমিটি অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর (সিওএ) দ্বারা অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন (এআইএফএফ) পরিচালিত হচ্ছে। ফিফার আইন অনুযায়ী যা স্পষ্টভাবে হস্তক্ষেপ।

Reneta June

প্রকৃতপক্ষে ভারতের ফুটবলে কী ঘটছে, তা দেখতে ফিফা এবং এএফসি কর্মকর্তাদের চার সদস্যের কমিটি দেশটি সফর করেছে। সফর ও বৈঠকের ভিত্তিতে ফুটবলে ভারতকে নিষেধাজ্ঞা দেয়ার প্রয়োজনীয়তা আছে কিনা, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বিশ্ব ফুটবলের অভিভাবক সংস্থাটি।

বিজ্ঞাপন

এআইএফএফ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা তিন প্রশাসকের একজন এবং ভারতের সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার ডা. এসওয়াই কুরাইশি বলেছেন, আমি মনে করি না যে ফেডারেশনের এই উন্নয়ন পরিকল্পনা-পরিস্থিতিতে ফিফার আপত্তি থাকবে।

‘ফুটবলে নির্বাচন দীর্ঘসময় ঝুলে ছিল। আগের মেয়াদের প্রশাসকরা মেয়াদ শেষের পরও দায়িত্বে থেকে গেছেন। তখন নির্বাচন আয়োজনের দরকার ছিল। এখানে ফিফার নিয়ম না মানার মতো কিছু হয়েছে বলে মনে হয় না। আশা করি ফিফা সবদিক বুঝবে এবং সহযোগিতা করবে। আমরা তাদের সহযোগিতা করব। কারণ আমরা আদালতের দেয়া কাজটি শেষের চেষ্টা করব।’

সিওএ’র পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ফিফার আইনের পাশাপাশি জাতীয় ক্রীড়া আইনের ভিত্তিতে এআইএফএফ’র গঠনতন্ত্র চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়াটি ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে শেষ হওয়া উচিৎ। তারপর নির্বাচনী প্রক্রিয়া রয়েছে। কুরাইশির মতে, নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়া এবং ফলাফল সেপ্টেম্বরের মধ্যে সম্পূর্ণ হওয়া উচিৎ।

গত মার্চে ভারতের ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ২০২২-২৩ মৌসুমে এআইএফএফ’র জন্য যে অর্থ বরাদ্দ দিয়েছে, তা ২০১৯-২০ মৌসুমের বরাদ্দের চেয়ে ৮৫ শতাংশ কম! জাতীয় দলের খারাপ পারফরম্যান্সের কারণে এমন করা হয়েছে। বয়সভিত্তিক দলগুলোর প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স না হওয়া এবং মেয়েদের ফুটবল নিয়ে উদ্বেগের কারণেও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় বরাদ্দ কমিয়ে দিয়েছে।