গাজায় আবার যুদ্ধ শুরুর প্রস্তুতির অংশ হিসেবে রিজার্ভ সেনা তলব করেছে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী। আগামী শনিবারের মধ্যে আরও ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি না দিলে গাজায় আবারও যুদ্ধে হুমকি দিয়েছে ইসরায়েল। বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় বসেছে মিশর ও কাতার।
আজ ১৩ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে আল জাজিরা জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির শর্ত রক্ষার জন্য মিশরের কায়রোতে হামাসের শীর্ষ নেতাদের সাথে আলোচনায় বসেছে মধ্যস্থতাকারী দেশ মিশর ও কাতার। ট্রাম্পের গাজাকে জাতিগতভাবে নির্মূল করার পরিকল্পনার বিরোধিতা পুনর্ব্যক্ত করেছে বেশ কয়েকটি দেশ।
চীন বলছে, গাজা অঞ্চলটি ফিলিস্তিনিদের। মিশরের আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় ট্রাম্পের পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করার জন্য আরব, মুসলিম এবং বিশ্ব নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
এদিকে, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে হামাস। বিশ্বের সকল শহরকে আগামী শুক্রবার, শনিবার ও রোববার গণ-আন্দোলনের শহরে পরিণত করার আহ্বান জানিয়েছে হামাস। একই সাথে ইসরায়েলের বন্দীদের মুক্তি দেয়ার ইতিবাচক সংকেতও দিয়েছে সংগঠনটি।
জর্ডানের বাদশাহ দ্বিতীয় আবদুল্লাহ বলেছেন, ফিলিস্তিনি জনগণের বৈধ অধিকারের স্বীকৃতি এবং দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধান বাস্তবায়ন ছাড়া আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা অর্জন করা সম্ভব নয়।








