যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার জন্য পূর্ণ প্রস্তুত ভেনেজুয়েলা। তবে সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ওয়াশিংটনের আগ্রাসনের মুখে দেশটির সামরিক সক্ষমতা তুলনামূলকভাবে দুর্বল। ফলে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে উত্তেজনা বেড়েছে।
ক্যারিবীয় সাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরে সন্দেহভাজন মাদকবাহী নৌযান লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র অন্তত ২০টি হামলা চালিয়েছে, যেখানে প্রায় ৮০ জন নিহত হয়েছে। তবে এসব নৌযান মাদক বহন করছিল এমন প্রমাণ এখনো দেয়নি ওয়াশিংটন।
এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ওই অঞ্চলে মোতায়েন করেছে ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড নামে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ।
এদিকে ভেনেজুয়েলার সরকার যেকোনো সম্ভাব্য মার্কিন পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত থাকার জন্য ব্যাপক সেনা ও বেসামরিক নাগরিকদের একত্রিত করার ঘোষণা দিয়েছে। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভ্লাদিমির পাদ্রিনো লোপেজ বলেছেন, জনগণের ৯০ শতাংশই যেকোনো মার্কিন আগ্রাসনের বিরোধী।
সামরিক শক্তিতে ভেনেজুয়েলা ১৬০ দেশের মধ্যে ৫০তম। দেশটির বিমানবাহিনীর ৪৯টি বিমানের মধ্যে প্রায় ৩০টি কার্যকর বলে মনে করা হচ্ছে এবং মাত্র তিনটি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান আছে। তবে রয়েছে রুশ নির্মিত ২১টি সু-৩০ যুদ্ধবিমান, যেগুলো অ্যান্টি-শিপ মিসাইল বহন করতে সক্ষম। স্থলবাহিনীতে সেনা সংখ্যা কম না তাদের।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করার পরিকল্পনা করেননি তিনি।
তবে ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক বিশ্লেষক কারলোস পিনা মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য সামরিক হামলা নয় বরং মাদুরোকে রাজনৈতিকভাবে সরে যেতে বাধ্য করা।







