বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে সদ্য নিয়োগ পেয়েছেন মাসুমা রহমান তানি। কিন্তু, এমডি পদ থেকে তার অপসারণের দাবিতে ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছে বৈষম্যহীন চলচ্চিত্র স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটি।
তানির বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে বলা হয়েছে, ‘মাসুমা রহমান তানি পতিত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের দোসর।’
রোববার এফডিসি প্রাঙ্গণে সংবাদ সম্মেলন করে এ ঘোষণা দেন বৈষম্যহীন চলচ্চিত্র স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটির উপদেষ্টা এবং চিত্রনায়ক আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল। দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত এক ঘণ্টার জন্য এফডিসিতে প্রতীকী ব্লকেড কর্মসূচি পালন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উজ্জল বলেন, ‘এফডিসিতে প্রশাসনিক কাজে যদি কোনো প্রশাসক আসে, আমাদের তো কোনো আপত্তি নেই। কারণ, এটা সরকারি জায়গা, একজন চাকরি করতে আসবেন, আসতেই পারেন। কিন্তু আপনি এমন একজনকে পাঠাচ্ছেন, যিনি অজ্ঞাতনামা আসামি আমাদের চোখে।’
কর্মসূচিতে বৈষম্যহীন চলচ্চিত্র স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটির উপদেষ্টা এবং চিত্রনায়ক আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল। তিনি বলেন, ‘আমরা তাকে চিনি না, জানি না। আমাদের ওপর আপনারা চাপিয়ে দেবেন, সেটা হবে না। আমরা সেটা প্রতিহত করব,’ বলেন উজ্জল।
বৈষম্যহীন চলচ্চিত্র স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক ও চলচ্চিত্র পরিচালক বদিউল আলম খোকনের সভাপতিত্বে এফডিসি ফটকে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী, জাসাস আহ্বায়ক চিত্রনায়ক হেলাল খান, জাসাস সদস্য সচিব জাকির হোসেন রোকন, জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের মহাসচিব রফিকুল ইসলাম, শিল্পী সমিতির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক চলচ্চিত্র পরিচালক ও অভিনেতা আরমান কবি ও অভিনেতা এবিএম সোহেল রশিদ।
আরও ছিলেন চলচ্চিত্র পরিচালক নাসির উদ্দিন মিলন, পরিচালক মো. জয়নাল আবেদিন, কাহিনীকার ও চিত্রনাট্যকার কাসেম আলী দুলাল, ফিল্ম ক্লাবের প্রেসিডেন্ট লায়ন নজরুল ইসলাম, চলচ্চিত্র পরিচালক শাওন আশরাফ, চলচ্চিত্র পরিচালক শফিকুল ইসলাম, জিসাস নেত্রী হেনা, অভিনেত্রী কেয়া চৌধুরী, অভিনেত্রী শারমিন, পরিচালক জয় সরকার নজরুল ইসলাম, জাহিদ, আজিজ প্রমুখ।
গত ১৯ ফেব্রুয়ারি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এফডিসির নতুন এমডি হিসেবে মাসুমা রহমান তানিকে নিয়োগ দেয়া হয়।








