দেশের বিভিন্ন জেলায় বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। এতে বন্যার পানি নামতে শুরু করলেও জনসাধারণের দুর্ভোগ কমেনি। দুর্গত এলাকায় খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও গো-খাদ্যের তীব্র সংকটসহ চর্মরোগ এবং নানা ধরনের রোগবালাই দেখা দিয়েছে।
এরমধ্যে গাইবান্ধায় নদ-নদীর পানি দ্রুত কমায় বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে এখনও ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপৎসীমার ১৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
অন্যদিকে বিপৎসীমার নিচে থাকলেও করতোয়ার পানি ১০ ও তিস্তা নদীর পানি ৩৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে।

দুর্গত এলাকায় দুই সপ্তাহ ধরে কাদাপানি জমে থাকায় চর্মরোগ দেখা দিয়েছে। বিশুদ্ধ পানির অভাবে ডায়রিয়াসহ পানিবাহিত রোগ দেখা দেয়ার আশংকা তৈরি হয়েছে। অধিকাংশ বাড়িঘর ও আঙ্গিনায় এখনও পানি জমে থাকায় ঘরে ফিরতে পারছে না মানুষ।

কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্রের পানি গত ১২ দিন ধরে ৩টি পয়েন্টে বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। দূর্ভোগ কমেনি বানভাসীদের। দুর্গত এলাকায় খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও গো-খাদ্যের তীব্র সংকটে পড়েছে বানভাসীরা। দুই সপ্তাহেরও অধিক সময় ধরে নিম্নাঞ্চলে ৫৫ ইউনিয়নের ৪শতাধিক গ্রামের প্রায় ২ লাখ মানুষ বন্যা কবলিত হয়ে দুর্বিসহ জীবন যাপন করছেন।

সিরাজগঞ্জে কমছে যমুনা নদীর পানি, তবে পরিস্থিতি এখনো অপরিবর্তিত রয়েছে। প্লাবিত এলাকায় বাড়ছে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট।জেলার পাঁচ উপজেলার ৩৪টি ইউনিয়ন এ মুহুর্তে বন্যা কবলিত অবস্থায় রয়েছে। কিছু এলাকায় দেখা দিয়েছে নদীভাঙ্গন।
জামালপুরে যমুনা ও পুরাতন ব্রহ্মপুত্রসহ সব নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। দুর্গত এলাকায় শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি, শিশু খাদ্য ও গো-খাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে।







