চিকিৎকদের ওপর হামলার ঘটনায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (ঢামেক) এর জরুরি সেবা খোলার পর সেখানে রোগীদের ভীড় দেখা গেছে। মূলত বর্হিবিভাগ বন্ধ থাকায় চাপ পড়েছে জরুরি বিভাগে।
হাসপাতালের এক পরিচালক বলছেন, চিকিৎসকদের চার দফার দুটি দাবি পুরণ করা হচ্ছে। বাকী দুটি সময় সাপেক্ষ। চিকিৎসকদের সাথে কথা চলছে। তাদের জরুরি সেবা দানের ২৪ ঘণ্টার কর্মসূচি তুলে নিলে বর্হিবিভাগসহ রুটিন সেবা স্বাভাবিক হবে।
জানা যায়, জরুরি চিকিৎসায় সত্তরোর্ধ্ব নারী পুরুষ ও শিশুরা অগ্রাধিকার পাচ্ছেন। স্ট্রোক, হৃদরোগ, দুর্ঘটনায় আহত, বিষপান, ফাঁসি, ডেলিভারি জন্য আসা নারীরা জরুরি সেবার আওতায় চিকিৎসা পাচ্ছেন। ফলে অন্য আর সব রোগ- মাথা, চর্মজনিত সমস্যা নিয়ে আসা দূর থেকে আসা রোগীদের অনেকেই চিকিৎসা না পাওয়ার কথা বলছেন।
প্রসঙ্গত, গত ৩১ আগস্ট সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসকদের অবহেলায় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস টেকনোলজির (বিইউবিটি) শিক্ষার্থী আহসানুল হক দীপ্তর মৃত্যুর অভিযোগ ওঠে। পরে ঢামেকের নিউরো সার্জারি বিভাগের তিন চিকিৎসককে মারধরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ দেখে দোষীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের আল্টিমেটাম দেন চিকিৎসকরা।
একই দিন মধ্যরাতে খিলগাঁওয়ের সিপাহীবাগ এলাকা থেকে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহতরা ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা নিতে আসেন। তখন অন্য আরেক গ্রুপ চাপাতিসহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ভেতরে ঢুকে যায়। এ সময় হাতেনাতে চারজনকে আটক করে সেনাবাহিনীকে দেয় কর্তৃপক্ষ।
পরে অন্য আরেক রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ওয়ানস্টপ ইমার্জেন্সি সেন্টারে ভাঙচুর চালায় রোগীর স্বজনরা। এতে করে নিরাপত্তা শঙ্কায় জরুরি বিভাগের কার্যক্রম বন্ধ করে দেন চিকিৎসকরা। আলটিমেটামের ২৪ ঘণ্টা শেষ হওয়ার আগেই কর্মবিরতিতে যান তারা।
এদিকে, ঢামেক হাসপাতালের (ঢামেক) নিউরো সার্জারি বিভাগের তিন চিকিৎসকের ওপর হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় রাজধানীর শাহবাগ থানায় মামলা হয়।
পরে অন্য আরেক রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ওয়ানস্টপ ইমার্জেন্সি সেন্টারে ভাঙচুর চালায় রোগীর স্বজনরা। এতে করে নিরাপত্তা শঙ্কায় জরুরি বিভাগের কার্যক্রম বন্ধ করে দেন চিকিৎসকরা। আলটিমেটামের ২৪ ঘণ্টা শেষ হওয়ার আগেই কর্মবিরতিতে যান তারা।
ঢামেক হাসপাতালের (ঢামেক) নিউরো সার্জারি বিভাগের তিন চিকিৎসকের ওপর হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় রাজধানীর শাহবাগ থানায় মামলা হয়। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে অভিযুক্ত সঞ্জয় পালকে গাইবান্ধা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মামলায় বেসরকারি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজির (বিইউবিটি) শিক্ষকসহ তিন শিক্ষার্থীকে আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া ৪০-৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।
রোববার (১ সেপ্টেম্বর) ঢামেক হাসপাতালের অফিস সহায়ক আমির হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।








