রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের তিন বছর পর ইউরোপীয় নেতারা ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির পাশে দাঁড়াতে এবং ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা নিয়ে আলোচনা করতে কিয়েভে পৌঁছেছেন।
সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির লাইভ আপডেট এর তথ্যে বলা হয়, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কোস্তা ও ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়ন এবং স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ কিয়েভ পৌঁছেছেন।
এছাড়াও যুদ্ধের তিন বছর উপলক্ষ্যে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির আয়োজিত এই বার্ষিকীতে যোগ দিতে কিয়েভে যুক্ত হয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোসহ অন্তত ১৪ প্রভাবশালী নেতা।
ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়ন সামাজিক মাধ্যম এক্স এ লিখেছেন, আমরা আজ কিয়েভে আছি। কারণ, ইউক্রেন ইউরোপের-ই। বেঁচে থাকার এই লড়াইয়ে কেবল ইউক্রেনের ভাগ্যই ঝুঁকির মধ্যে নয়, এটি ইউরোপের ভাগ্যও বটে।
মূলত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কিকে অযোগ্য ও ‘অনির্বাচিত একনায়ক’ বলে অভিহিত করেন এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য ইউক্রেনকে দায়ি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পর ইউরোপীয় নেতারা ট্রাম্পের বিরোধিতা করেছেন, আর ইউক্রেনের রাজনীতিবিদ, সরকারি কর্মকর্তা ও সেনারা জেলেনস্কির পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
এছাড়াও গত ১৮ ফেব্রুয়ারি সৌদি আরবে রাশিয়ার সঙ্গে ট্রাম্পের আলোচনায় শীর্ষ ইউরোপীয় নেতারা বাদ পড়া এবং আলোচনা থেকে ইউক্রেনকে বাদ দেওয়ার পর এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ইউরোপীয় কাউন্সিলের কর্তাদের কিছুক্ষণ পরেই কিয়েভের রেলওয়ে স্টেশনে দেখা গেছে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ এবং ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, ফিনল্যান্ড, লিথুয়ানিয়া, লাটভিয়া এবং এস্তোনিয়ার নেতাদের।
জেলেনস্কি আগেই বলেছিলেন, আজকের এই শীর্ষ সম্মেলনে কমপক্ষে ১৪ জন নেতা সরাসরি যোগ দিবেন। এছাড়াও কমপক্ষে ২০টি অন্যান্য দেশও ভার্চুয়ালি যোগ দেবেন।








