এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
শিরোপার মঞ্চের আগে শেষ চারের লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডস। সিগন্যাল ইদুনা পার্কে বুধবার রাতে মাঠের লড়াইয়ের আগে আলোচনার কেন্দ্রে রেফারি। ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব পাওয়া ফেলিক্স জাওয়েয়ার ম্যাচ-ফিক্সিংয়ের দায়ে ছয় মাসের জন্য নিষিদ্ধ ছিলেন।
২০০৪ সালে মে মাসে দুই জার্মান ক্লাব ওয়ের্ডার ব্রেমেন অ্যামেচার ও ভুপাটার এসভির খেলায় ঘটেছিল সেই ফিক্সিংকাণ্ড। ভুপাটার এসভির পক্ষে কাজ করার জন্য আরেক অফিসিয়াল রবার্ট হোয়েজারের থেকে ৩০০ ইউরো ঘুষ নিয়েছিলেন জাওয়েয়ার। ২০০৫ সালের এক তদন্তের পর তাকে ছয় মাসের নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়।
বিতর্কিত সেই ম্যাচ অফিসিয়ালের সততা নিয়ে আগে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছিলেন জুড বেলিংহাম। ২০২১ সালে বুন্দেসলিগায় বরুশিয়া ডর্টমুন্ড ৩-২ গোলে বায়ার্ন মিউনিখের কাছে হেরে যাওয়ার পর সাক্ষাৎকারে সেই ঘটনা উল্লেখ করেছিলেন ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডার।
সেসময় ডর্টমুন্ডের হয়ে খেলা বেলিংহাম বলেছিলেন, ‘আপনি খেলায় নেয়া অনেক সিদ্ধান্ত দেখতে পারেন। আপনি এমন একজন রেফারিকে দায়িত্ব দেন, যিনি আগে ম্যাচ ফিক্সিং করেছেন। জার্মানির (বুন্দেসলিগা) সবচেয়ে বড় খেলায় আপনি কী আশা করতে পারেন?’
ম্যাচটি নিয়ে ডর্টমুন্ডের অভিযোগ ছিল, তাদেরকে একটি পেনাল্টি দেয়া হয়নি। উল্টো তাদের বিপক্ষে বায়ার্নকে একটি পেনাল্টি দেয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে বেলিংহামকে মন্তব্যের জন্য ৪০ হাজার ইউরো জরিমানা করা হয়।
চলতি ইউরোর দ্বিতীয় রাউন্ডে রোমানিয়ার বিপক্ষে নেদারল্যান্ডসের ৩-০ গোলে জয়ের ম্যাচে দায়িত্ব পালন করেছেন জাওয়েয়ার। তাকে সেমিফাইনালে নিয়োগ দেয়ার বিষয়ে ইংল্যান্ডের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এফএ) অভিমত জানতে চাওয়া হলে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
ম্যাচের আগেরদিন সোমবার সংবাদ সম্মেলনে ফিক্সিংকাণ্ডে জড়িত রেফারির থাকাটা অস্বস্তিকর নয় বলে জানিয়ে দেন ইংল্যান্ডের ডিফেন্ডার লুক শ। এসবের মাঝে কোনো ষড়যন্ত্র আছে- এমন চিন্তাভাবনাও করছেন না।
‘উয়েফা যাকে রেফারি হিসেবে বেছে নেবে, তাকে আমাদের সম্মান করতে হবে। এতে আমাদের মনোভাবের কোনো পরিবর্তন হবে না। আমরা শুধু ম্যাচে মনোনিবেশ করছি।’








