আর্লিং হালান্ডের প্রশংসা করাটা ‘রুটিন ওয়ার্ক’ হয়ে গেছে, সেটা মাসখানেক আগেই জানিয়েছেন পেপ গার্দিওলা। ২২ বর্ষী নরওয়েজিয়ানের প্রেমে পড়ার কথাও বলেছিলেন ম্যানচেস্টার সিটি কোচ। সেই ধারা যেন ছাড়ছেই না পেপকে। অবশ্য তাতে বেশ খুশিই সিটিজেন বস।
কারণ হালান্ড শো যে চলছেই। ম্যানচেস্টার ডার্বিতে ইউনাইটেডকে ৬-৩ গোলে হারানোর ম্যাচে সিটির হয়ে আরেকটি হ্যাটট্রিক তুলেছেন হালান্ড। প্রিমিয়ার লিগে ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টানা তিন হোম ম্যাচে হ্যাটট্রিক করলেন। ম্যাচে আরেক হ্যাটট্রিকম্যান ফিল ফোডেনের একটি গোলেও রেখেছেন অবদান।
চলতি মৌসুমে ম্যানসিটি জার্সিতে ১১ ম্যাচেই ১৭ গোল করে ফেললেন হালান্ড। তাকে নিয়ে গার্দিওলার প্রশংসার পরিসংখ্যানও তাই বেড়ে চলেছে পাল্লা দিয়ে।
‘সে যা করেছে সেটি তাকে একবারও শেখাইনি। বল সঠিক অবস্থানে থাকলে সে বক্সের দিকে আক্রমণে যায়। সেন্ট্রাল ডিফেন্ডারের পেছন থেকে যেভাবে দূরে চলে যায়, তা অবিশ্বাস্য। বল যেখানে পৌঁছাবে, সেখানে তার ছুটে যাওয়ার অবিশ্বাস্য সহজাত প্রবৃত্তি আছে। এটা তার মা-বাবার কাছ থেকে পেয়েছে। গোল করার এমন দক্ষতা নিয়েই তার জন্ম হয়েছে।’
‘ম্যাচের শেষ অবধি সে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখে। এটা আমার বেশ পছন্দ। পাঁচবার বল স্পর্শ করলে পাঁচবারই গোল করাকে প্রাধান্য দেই। চাই সে আরও বেশি করে বল স্পর্শ করুক। তাতে সে কেবল গোল করার জন্যই একজন হবে।’
‘পরিস্থিতি বুঝে তার অংশগ্রহণ পছন্দ করি। তবে ভুলে যাবেন না যে, তার সবচেয়ে বড় প্রতিভা হল বল জালে ফেলা।’







