আন্তর্জাতিক

স্ত্রীর শরীর ২২৪ টুকরো করে নদীতে ফেললো স্বামী!

নৃশংসভাবে একজন ব্যক্তি অন্যজনের উপর আঘাত করছে. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

একজন silhouette ব্যক্তি অন্যজনের উপর আঘাত করছে, পটভূমি লাল রঙে।. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ

স্ত্রীর উপরে অকথ্য মানসিক নির্যাতন করত ব্রিটেনের বাসিন্দা নিকোলাস মেটসন (২৮)। একপর্যায়ে বিয়ের বছর শেষ হতেই স্ত্রীকে হত্যার পর মৃতদেহ ২০০’র বেশি টুকরো করে ভাসিয়ে দিয়েছেন নদীতে।

সোমবার (৮ এপ্রিল) ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি বিষয়টি সামনে এসেছে। তবে মার্চ মাসের কোনো এক সময় তাকে হত্যা করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, নিকোলাস বিয়ের পর থেকেই স্ত্রীকে নির্যাতন করতেন। তাকে ভয় দেখাতে কখনও পোষ্য হ্যামস্টারকে ফুড ব্লেন্ডারে বা মাইক্রোওয়েভ ওভেনে ঢুকিয়ে বা পোষ্য কুকুরকে ওয়াশিং মেশিনে ঢুকিয়ে মেরে ফেলতেন।

স্ত্রী নিখোঁজ হাওয়ার পর পুলিশ নিকোলাসের স্ত্রীর খোঁজ করার সময় পুলিশের সাথে মজাও করেন নিকোলাস। তখন তিনি বলেছিলেন, ‘দেখুন খাটের তলায় লুকিয়ে আছে কিনা।’

পুলিশ জানায়, নিকোলাস প্রথমে কুপিয়ে খুন করে তার স্ত্রী হোলি ব্রামলেকে (২৬)। পরে তার দেহটি শৌচাগারে নিয়ে দুই শতাধিক টুকরো করেন। কিছু দিন সেই দেহাংশ প্লাস্টিকে নিয়ে ঘরের ফ্রিজেই রেখে দিয়েছিল নিকোলাস। এক সপ্তাহ পর এক বন্ধুকে ৫০ পাউন্ডের লোভ দেখিয়ে, তার সাহায্যে দেহ খণ্ডগুলো উইদ্যাম নদীতে ফেলে দেয়।

পুলিশ জানায়, এই ঘটনার এক দিন বাদে নদীতে প্লাস্টিকগুলো ভেসে উঠে। একটি প্লাস্টিক প্যাকেট থেকে মেলে হোলির কাটা হাত। অন্য একটি প্যাকেট থেকে মেলে তার কামানো মাথা। মোট ২২৪টি দেহাংশ পাওয়া গেলেও, এখনও খোঁজ মেলেনি দেহের বেশ কিছু অংশের। নিকোলাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

হোলির মা জানান, ১৬ মাস আগে মেয়ের বিয়ে হয়। প্রথম থেকেই স্ত্রীর উপরে অত্যাচার চালাত নিকোলাস। বিবাহবিচ্ছেদের কথা ভাবছিলেন হোলি। কিন্তু শেষরক্ষা হল না।

বিষয়:স্ত্রী হত্যা স্বামী-স্ত্রী

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…