এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের মধ্যে আজ প্রতীক বরাদ্দ দেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। স্বচ্ছ ব্যালট পেপারের মাধ্যমে অনুষ্ঠিতব্য এই নির্বাচনে দেশের প্রায় ১২ কোটি ৭৭ লাখ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি ভিন্ন ব্যালটে গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে।
আজ (২১ জানুয়ারি) বুধবার প্রতীক পাওয়ার পরদিন বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকে প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণায় নামবেন। ইসি সূত্রে জানা গেছে, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষে সারা দেশে ৩০৫ জন প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। ফলে ২৯৮টি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মোট ১ হাজার ৯৬৭ জন প্রার্থী।
এবারের নির্বাচনে কোনো আসনেই একক প্রার্থী নেই। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা-১২ আসনে সর্বোচ্চ ১৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৩ জন প্রার্থী রয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে। অন্যদিকে কয়েকটি আসনে সর্বনিম্ন দুজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন।
মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ছিল গত ২৯ ডিসেম্বর। নির্ধারিত সময়ে ৩০০ সংসদীয় আসনে মোট ২ হাজার ৫৮৫টি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত যাচাই-বাছাই শেষে ৭২৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। এতে প্রাথমিকভাবে বৈধ প্রার্থী ছিলেন ১ হাজার ৮৫৮ জন।
রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল গ্রহণ করা হয়। এ সময় ৬৩৯ জন প্রার্থী আপিল করেন। ১০ জানুয়ারি শুরু হওয়া আপিল শুনানি ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত চলে। শুনানি শেষে ৪৩১ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা ফিরে পান। তবে পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনের ক্ষেত্রে ভিন্ন পরিস্থিতি তৈরি হয়।
আগের তফসিল অনুযায়ী বৈধ হওয়া ১১ জন প্রার্থী এই তালিকা থেকে বাদ পড়বেন। ভোটের দিন অপরিবর্তিত রেখে এ দুটি আসনে নতুন তফসিল ঘোষণা করা হয়। সে অনুযায়ী গত রোববার (১৮ জানুয়ারি) ছিল মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন। এতে পাবনা-১ আসনে সাতটি এবং পাবনা-২ আসনে পাঁচটি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে।
ইসির রোডম্যাপ অনুযায়ী, ভোট গ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচারণা চালানো যাবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।








