ঈদুল ফিতরের ছবিগুলো মুক্তির একমাস ছাড়িয়েছে। সিঙ্গেল স্ক্রিনে কমবেশি দর্শকদের উপস্থিতি এখনও চোখে পড়ার মতো। এরই মধ্যে কোনো ছবির লগ্নী তুলে ফেলেছে আবার কোনোটির লগ্নী ওঠার কাছাকাছি পর্যায়ে পৌঁছেছে! বিদেশেও চলছে।
দেশের সর্বাধুনিক সিনেপ্লেক্স ও মাল্টিপ্লেক্সগুলো খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঈদের ছয় ছবির মধ্যে বরবাদ, দাগি, জংলি এবং চক্কর ৩০২ এই চারটি ছবি চলছে। ষষ্ঠ সপ্তাহে এসেও সিনেপ্লেক্সে ‘বরবাদ’ সর্বোচ্চ শো ৩৫ শো নিয়ে দর্শক চাহিদার তুঙ্গে। এর পেছনে ২২ শো নিয়ে রয়েছে হলিউডের ছবি ‘মাইনক্রাফ্ট’।
অন্যদিকে ঈদের অপর আলোচিত ছবিগুলোর মধ্যে এগিয়ে আছে ‘জংলি’। সিনেপ্লেক্সে এটির রয়েছে দৈনিক ১৫টি শো, দাগির চলছে ১২টি করে শো। অন্যদিকে, ‘চক্কর ৩০২’ নামে ছবিটি পেয়েছে একটি শো।
সিনেপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ জানায়, দর্শক চাহিদার উপর নির্ভর করে তারা ছবিগুলোর শো দিয়ে থাকেন। কোন ছবি কেমন চলছে তা শো দেখলে বোঝা যায়।
এ সপ্তাহে যমুনা ব্লকবাস্টারে দৈনিক ৮টি শো চলছে বরবাদের। ‘দাগি’র ২টি শো চলছে এবং ‘জংলি’র চলছে ৪টি করে শো, চক্কর চলছে ১টি শো।
আরেক মাল্টিপ্লেক্স লায়ন সিনেমাসে ৬টি করে শো চলছে বরবাদের, ‘দাগি’ চলছে ২টি এবং ‘জংলি’র চলছে ৩টি শো, চক্করের ২টি করে শো চলছে।
দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে তৃতীয় সপ্তাহে চলছে বরবাদ, দাগি ও জংলিও দ্বিতীয় সপ্তাহে চলছে। সেইসঙ্গে অস্ট্রেলিয়াতে দুর্দান্ত ব্যবসা করছে বরবাদ।
ডিসট্রিবিউটর জানান, দ্বিতীয় সপ্তাহে তিনদিনে অস্ট্রেলিয়াতে এক হাজার দর্শক বরবাদের টিকিট কিনেছে, যা বাংলা ছবির ক্ষেত্রে নতুন রেকর্ড।
সাফল্যের ধারাবাহিকতায় ১৫ মে থেকে বরবাদ দুবাই, ওমান, কাতার, বাহরাইন, মালয়েশিয়াতে মুক্তি পাবে। পরের সপ্তাহে চলবে যুক্তরাজ্যে।
ঈদের তিন ছবি বরবাদ, জংলি এবং দাগির প্রযোজকরা তিন ছবি গ্রস কালেকশন জানিয়েছে। জানানো হয়েছে, ২৬ দিনে শুধু বাংলাদেশ থেকে ৬২ কোটি ৫৭ লাখ টাকার টিকিট বিক্রি করে ইন্ডাস্ট্রি হিট হিয়েছে মেগাস্টার শাকিব খানের ‘বরবাদ’।
সিয়াম আহমেদের ‘জংলি’ একমাসে দেশ ও বিদেশ মিলিয়ে গ্রস কালেকশন ৫কোটি ২ লাখ যা সুপারহিট এবং আফরান নিশো সুপারহিট দাগি প্রায় ৮কোটি টাকা গ্রস কালেকশন হয়েছে।








