এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সহ চারটি দলকে আচরণ বিধিমালা ভঙ্গের বিষয়ে সতর্ক করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
আজ মঙ্গলবার দলগুলোর প্রধানের কাছে পাঠানো নির্বাচন কমিশনের চিঠি থেকে বিষয়টি জানা যায়।
বিএনপির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জামায়াতে ইসলামীর আমির, খেলাফত মজলিসের আমির, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির, জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ককে সতর্ক করে চিঠিটি পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর এরূপ অভিযোগ দায়ের করা হয় যে, ২১ জানুয়ারির পূর্বে নির্বাচনি প্রচারণা নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নির্বাচনি প্রচারণা অব্যাহত রেখেছে— যা রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫ এর বিধি ১৮-এর পরিপন্থি।
নির্বাচন কমিশন উল্লিখিত অভিযোগ পর্যালোচনা অন্তে নির্ধারিত সময়ের পূর্বে নির্বাচনি প্রচারণা হতে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের দলীয় প্রধান ও দলের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশনা দিয়েছে।
উল্লেখ্য, রোববার (১৮ জানুয়ারি) বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে তিনি বলেন, ‘‘জামায়াতের নির্বাচনি কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডির কপি, বিকাশ নম্বর ও মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করছে— যা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ভঙ্গ ক্রিমিনাল অফেন্স। এই বিষয়ে আমরা ইতোপূর্বে জানিয়েছি। এই বিষয়ে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা আমরা প্রয়োজন বলে মনে করেছি।’’
তিনি বলেন, ‘‘বিএনপি জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্যের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডে বিশ্বাসী। এ জন্য আমাদের দলের চেয়ারম্যান ব্যক্তিগত সফর বাতিল করেছেন। অথচ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের দলীয় প্রধানসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা প্রতিনিয়ত আচরণবিধি ভঙ্গ করে দলীয় প্রচারণা চালাচ্ছেন। এ বিষয়ে আমরা জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছি।’’
সংশোধিত তফসিলের নির্বাচন সময় সূচি অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ হচ্ছে মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি)। রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। আর ভোট গ্রহণ করা হবে ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।








