ভূমিকম্প ভালোভাবে বোঝা গেছে মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামেও। বাংলাদেশ-আয়াল্যান্ড টেস্টের তৃতীয় দিনে খেলাও বন্ধ ছিল প্রায় ৩ মিনিট। শুরুতে ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্প টের না পেলেও পরে অবশ্য আতঙ্ক কাজ করেছিলে মাঠে থাকা ক্রিকেটারদের মধ্যে।
স্টেফেন দোহেনি ও লোরকান টাকার ব্যাট করছিলেন। দিনের প্রথম সেশনের দ্বিতীয় ঘন্টায় মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিংয়ে ছিলেন। তৃতীয় বল করার আগে হঠাৎই যেন দুলতে শুরু করে ফ্লাডলাইটের বাতি ও লম্বা স্ট্যান্ড। উদ্ভুত ঝনঝন শব্দ শুরু হয় মাঠজুড়ে।
কেঁপে উঠে স্টেডিয়ামের প্রেসবক্সও। সেখানে বসে থাকা সাংবাদিকেরা দৌড়ে নিচে নামতে শুরু করেন। গ্যালারিতে থাকা দর্শকেরাও নিরাপদ আশ্রয় খুঁজেছিলেন। কয়েক সেকেন্ড পরেই বুঝা যায়। বড় মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে। প্রায় তিন মিনিট বন্ধ রাখা হয় খেলা।
শুক্রবার মিরপুর টেস্টের তৃতীয় দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে আসেন তাইজুল ইসলাম। জানালেন, ঠিক ওই মুহূর্তে ঠিক কী অবস্থা ছিল মাঠে।
টাইগার স্পিনার বলেছেন, ‘আসলে প্রথমে বুঝিনি। তবে একটা সময়… সম্ভবত মিডিয়া বক্স ও যে জায়গাগুলোতে কাঁচ ছিল, সেখান থেকে একটা শব্দ আসছে। তারপরে শারীরিকভাবেও একটা (ঝাঁকুনি) অনুভূত হয়েছে। তো ওই সময়টা আরকি একটু আতঙ্ক কাজ করেছে।’

অবশ্য মাঠে ছিলেন না আয়ারল্যান্ড কোচ হেনরিখ মালান। ড্রেসিংরুমে বসে টের পেয়েছেন ভূমিকম্প। পরে অবশ্য বেরিয়ে আসেন মাঠে। সংবাদ সম্মেলনে এসে অভিজ্ঞতার কথা জানালেন তিনিও।
বলেছেন, ‘আমি অনেক দিন নিউজিল্যান্ডে থেকেছি। তাই আমি বেশ কয়েকটি ভূমিকম্প দেখেছি। এটি কখনোই ভালো অনুভূতি নয়। ওই মুহূর্তে আসলে সবাই বোঝার চেষ্টা করছিল আমাদের আশপাশে ঠিক কী হচ্ছে। এরপর বৃহৎ প্রভাবের কথা ভাবছিলাম। আশা করি খুব বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। কয়েক মিনিট সব কিছু থেমে ছিল। এরপর আবার আমাদের সব শুরু হয়। তো আসলে খুব বেশি সময় ছিল না বুঝে ওঠার জন্য।’








