বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘ডানার” প্রভাবে লক্ষ্মীপুর-ভোলা ও বরিশাল নৌ রুটে সকল ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
লক্ষ্মীপুর মজুচৌধুরীর হাট লঞ্চঘাটের ট্রাফিক সুপারভাইজার শরীফুল ইসলাম ও লক্ষ্মীপুর-ভোলা ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক (কমার্স) পারভেজ খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নৌযান সমূহকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।
লক্ষ্মীপুর-ভোলা ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক (কমার্স) পারভেজ খান বলেন, এই রুটে ৪টি রো রো ফেরি চালু রয়েছে। এর মধ্যে ফেরি ‘কাবেরী’ ভোলা থেকে লক্ষ্মীপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে। লক্ষ্মীপুর ঘাট থেকে ভোলার উদ্দেশ্যে ফেরি ‘সুফিয়া কামাল’ ছেড়ে গেছে। এরপর রাত থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত ফেরি চলাচলা বন্ধ আছে। ফেরি ‘কনক চাপা’ ও ফেরি ‘বেগম রোকেয়া’ লক্ষ্মীপুর মজুচৌধুরীর হাট ঘাটে আছে।
জেলা ত্রাণ ও পূণর্বাসন কর্মকর্তা মো. ইউনুছ জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) এখন পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে নদীতে তিন নম্বর সতর্ক সংকেত দেখানো হয়েছে। উপকূলীয় জেলা লক্ষ্মীপুরে গতকাল সন্ধ্যা থেকে থেমে হালকা থেকে মাঝারি ধরণের বৃষ্টি হচ্ছে। এদিকে দুপুর ১টা থেকে দমকা বাতাস ও ভারি বর্ষণ চলছে।
মজুচৌধুরীর হাট লঞ্চঘাটের ট্রাফিক সুপারভাইজার শরীফুল ইসলাম বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে নদীতে তিন নম্বর সতর্ক সংকেত বলবত আছে। বর্তমানে নদী উত্তাল রয়েছে। সকাল থেকে লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, লক্ষ্মীপুর-ভোলা ও বরিশাল রুটে ১১টি লঞ্চ রয়েছে। এরমধ্যে দুইটি বরিশাল রুটে এবং অপর ৯টি ভোলা রুটে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে ঘাট প্রচুর যাত্রী রয়েছে এবং মালবাহি গাড়ি রয়েছে।
উল্লেখ্য, লক্ষ্মীপুর-ভোলা-বরিশাল নৌ-রুটে চট্টগ্রাম, ফেনী, সিলেটসহ দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার সঙ্গে সহজ যোগাযোগ মাধ্যম। ঈদ এবং পূজাসহ বিভিন্ন সরকারি ছুটিতে এ রুটে যাত্রীদের প্রচন্ড ভিড় থাকে। এছাড়া উক্ত রুটে পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল করছে সবচেয়ে বেশি।








