বাংলাদেশের ৩টি প্রধান রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টিকে সংলাপে বসার আহ্বান জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু। তার এই চিঠির প্রসঙ্গে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের ব্রিফিংয়ে ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র ম্যাথু মিলারকে প্রশ্ন করেছেন সাংবাদিকরা। তবে বেশ সতর্কভাবেই সরাসরি এই প্রসঙ্গে কোন মন্তব্য করেননি ম্যাথু মিলার।
ব্রিফিংয়ে একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন দল এবং বিরোধী দলগুলোর মধ্যে সংলাপের আহ্বান জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন কিন্তু বিরোধী দলের অধিকাংশ রাজনৈতিক নেতা কারাগারে থাকা অবস্থায় সংলাপ কীভাবে হবে এবং (প্রশ্নকারী ভেবে অবাক হচ্ছেন) সরকার যখন বিরোধীদের দমন করছে এমন সময় বিরোধী দলের কে এই চিঠি গ্রহণ করলেন? আপনার মন্তব্য কী? এই দৃশ্যের মধ্যে একটি সংলাপ কীভাবে হতে পারে?
এই প্রশ্নের জবাবে ম্যাথু মিলার বলেন, আমি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয়ে আমাকে টেনে আনার জন্য বিভিন্ন সাংবাদিকদের প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানাই। তবে আমি তা (বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিষয়ে মন্তব্য) করা থেকে বিরত থাকব। বাংলাদেশের নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্র কোনো পক্ষ নেয় না। আমরা এক দলের চেয়ে অন্য দলকে প্রাধান্য দেই না। আমরা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনকে সমর্থন করি।
এসময় আরেকটি প্রশ্নে বলা হয়, ভারতের নয়াদিল্লিতে যুক্তরাষ্ট্র-ভারতের মধ্যকার (টু প্লাস টু) বৈঠকে বিশেষ করে বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে কোন আলোচনা হয়েছে কি না বা এই বিষয়ে আপনি কোন ধারণা দিতে পারবেন কি না? ভারত এবং বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমগুলোতে বলা হয়েছে দুই দেশের বৈঠকে বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। নির্বাচনের বিষয়কে ‘অভ্যন্তরীণ বিষয়’ বলে অভিহিত করেছে ভারত। বিষয়টি নিয়ে আপনি কোন ধারণা দিতে পারেন কি?
জবাবে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র মিলার বলেন, বৈঠক নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ভারতে অবস্থানকালে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন যা বলেছেন সেটাই যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্য। এর বাইরে আমি সুনির্দিষ্টকরে কিছুই বলতে পারছি না।








