গৃহকর্মী সুরক্ষা ও কল্যাণ নীতি ২০২৫, আইএলও সনদ ১৮৯ ও ১৯০ অনুস্বাক্ষরের গুরুত্ব বিষয়ক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ সোমবার ২০ জানুয়ারি বাংলাদেশ নারী শ্রমিক কেন্দ্র বিএন এসকে এর আয়োজনে শ্রম ভবনের সম্মলন কক্ষে এই আয়োজন করা হয়।
বক্তব্যের শুরুতে শ্রম কমিশনের সম্মানিত সদস্য তসলিমা আক্তার বলেন, অপ্রতিষ্ঠানিক খাতে যে সকল নারী শ্রমিক কাজ করছে তাদের অধিকারের বিষয়টি শ্রম কমিশন খুব গুরুত্বর সাথে দেখছে।
অ্যাডভোকেট সালমা আলী বলেন, আমাদের দেশে অনেক ভাল ভাল আইন আছে যা আমরা মানি না। অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে যারা কাজ করে তাদের জন্য মূলত সি ১৮৯ এবং ১৯০। আমরা এই দুটি কনেভনশনের সুপারিশ আগামী ১৮ ফেব্রয়ারি রেটিফাই এর জন্য জমা দেব। রেটিফাই করা হলে প্রতি ৪ বছর অন্তর রিপোর্ট জমা দেয়া প্রয়োজন হবে। যে রিপোর্টে আমরা ভাল কিছু দিতে পারব।
বিএনএসকে প্রকল্প সমন্বয়কারী তমাশ্রী দাস ১৮৯ এবং ১৯০ কনেভনশনে উল্লখযোগ্য ধারাগুলো তুলে ধরেন। ১৮৯ ধারাটি এশিয়া অঞ্চলে একমাত্র ফিলিপাইন ২০১২ সালে রেটিফাই করেছে। ১৯০ সনদটি সহিংসতা ও হয়রানির কথা বলা হয়েছে। এখানে যে ধারাগুলো নেয়া হয়েছে সেগুলো রেটিফাই করলে কর্মক্ষেত্র সহিংসতা কমে যাবে।
শ্রমিক আন্দোলন নেতা ও ডমেস্টিক ওয়ার্কার্স রাইটস নেটওয়ার্কের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক আবুল হোসেন জানান, ১৮৯ কনভেনশন নিয়ে বারবার দেনদরবার করা হলেও কিছু হয়নি। ১৯০ সরকার রেটিফাইযের জন্য ব্যবস্থা নিয়েছে। কিন্তু ১৮৯ নিয়ে এখনো কোন ব্যবস্থা নেয় নাই। আমাদের দেশ প্রতিবেশী রাষ্ট্র কী করে সেদিকে তাকিয়ে থাকে।
ব্র্যাক মাইগ্রেশন এ্যান্ড ইয়ুথ প্ল্যাটফর্মের এসোসিয়েট ডিরেক্টর শরিফুল ইসলাম জানান, ২০০৮ -২০১৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের নারী শ্রমিক বাজার বন্ধ ছিল।২০২৫ সালে একটা এমইইউ সাইন করা হয়। ২০১৬ সালে একটা রিপোর্টে দেখা যায় আমাদের মেয়েরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছে, খুন হয়েছে। যে সেফ হাউজে আমাদের মেয়ের ফিরে এসে উঠছে তারা এখানে এসেও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। তাদের সুরক্ষার বিষটি নিশ্চিত করার জন্য শ্রম কমিশনকে ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান তিনি।







